ঐক্যফ্রন্টে কাদের সিদ্দিকী

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। আজ সোমবার বেলা একটার দিকে রাজধানীর মতিঝিলের কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। ৩ নভেম্বর এ বিষয়ে জানানোর কথা ছিল তাঁর। সেদিন ৫ নভেম্বর বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আজ ৫ নভেম্বর এ মুহূর্ত থেকে আমি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলাম। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে থেকে কামাল হোসেন আমাদের আইনি সহায়তা দেবেন আর আমরা বাকিরা দেশের জন্য যুদ্ধ করব। জাতির মুক্তির জন্য একসঙ্গে কাজ করব।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশ চালানোর কারণে দেশের আজ এ পরিস্থিতি হয়েছে। এরপরও তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। অনেক দিন পরে হলেও তিনি আলোচনায় বসেছেন। যে মুহূর্ত থেকে আলোচনায় বসেছেন, সে মুহূর্ত থেকে সামান্য উন্নতি হয়েছে।’

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘বি. চৌধুরী, কামাল হোসেন ও আমরা মিলে জাতীয় ঐক্য তৈরির প্রচেষ্টার কথা অনেক আগেই বলেছিলাম। ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। কামাল হোসেনের কথা শুনে তিনি আসেননি। সামনে নিশ্চয়ই আসবেন। সে প্রত্যাশায় রইলাম।’

জেএসডির সভাপতি আ স ম রব বলেন, ‘ঐক্য গঠন করতে তাঁর (কাদের সিদ্দিকী) যথেষ্ট অবদান রয়েছে। আমাদের এ লড়াই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। ভোটের অধিকার আদায়ের লড়াই। তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে লড়াইয়ের মাত্রা বেড়ে গেল।’

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে আ স ম রব বলেন, ‘আপনাদের পায়ের তলার মাটি নেই। দেশের মানুষ বোকা নয়। ভোট জালিয়াতির বন্ধ করতে ইভিএম বন্ধ করতে হবে। নির্বাচন করতে হলে সাত দফা মানতে হবে।’

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাজ করব। দেশের মানুষ আশা নিয়ে সংলাপের দিকে তাকিয়ে আছে।’

বিএনপির নেতা বরকতউল্লাহ বুলু বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়ার জন্য মোবারাকবাদ জানাই। তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে আন্দোলন পরিণতি লাভ করবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, কৃষক জনতা লীগ থেকে নাসরিন সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকীসহ আরও অনেকে।


     আরও দেখুনঃ