জামিনে মুক্তি পেলেন ব্যারিস্টার মইনুল

55

মানহানির মামলায় গ্রেফতার হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন জামিনে মুক্ত হয়েছেন। জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর রোববার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রতিবেদকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় ব্যারিস্টার মইনুলের।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মানহানির অভিযোগে করা ১৫টি মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আজ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে মাসুদা ভাট্টি লাইভে যুক্ত হওয়া ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে প্রশ্ন করেন- ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আলোচনা চলছে, আপনি সদ্য গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে এসে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কিনা?’

এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার একপর্যায়ে মইনুল হোসেন, মাসুদা ভাট্টিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি আপনাকে চরিত্রহীন বলতে চাই।

এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে মইনুল হোসেনকে প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দেয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন। এরপর রংপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মানহানি ও ডিজিটাল আইনে মামলা হয়।

রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় ২২ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।