মতে মেলেনি, তাই নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বহিষ্কার ট্রাম্পের

Avatar
নিজাম উদ্দিন, সিনিয়র রিপোর্টার
৯:০৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বহিষ্কার করেছেন। মঙ্গলবার বোল্টনকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, ট্রাম্প জানিয়েছেন, জন বোল্টনের মতের সঙ্গে তিনি ‘পুরোপুরি দ্বিমত’ পোষণ করেন। এ জন্য তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এক প্রতিবেদনে বিবিসি বলছে, ট্রাম্প টুইটে লিখেছেন, ‘গত রাতে আমি জন বোল্টনকে জানিয়েছি, হোয়াইট হাউসে তাঁর আর প্রয়োজন নেই।’ একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ করা হবে।

কয়েকদিন ধরে গুঞ্জন চলছে, তালেবানদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছিলেন, সেটা নিয়ে মন্ত্রী পরিষদে বিভক্তি দেখা দিয়েছিল। আর এই বিভক্তির মধ্যেই বোল্টনকে বহিষ্কারের এই ঘোষণা এল।

ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক তৃতীয় উপদেষ্টা ছিলেন বোল্টন। এর আগে একই পদে ছিলেন মাইকেল ফ্লিন ও এইচআর ম্যাকমাস্টার।

ট্রাম্পের বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়া হিসেবে জন বোল্টন এক টুইটে বলেছেন, সোমবার রাতেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগ পত্র দিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্প সে সময় তাঁকে জানিয়েছিলেন, ‘এই বিষয়ে আমরা আগামীকাল (মঙ্গলবার) আলোচনা করতে পারি।’

তালেবানের সঙ্গে ট্রাম্পের শান্তিচুক্তি বিষয়ক আলোচনার বরাবরই বিরোধী ছিলেন বোল্টন। গত রোববার ওই আলোচনায় হওয়ার কথা ছিল। তবে ট্রাম্প আকস্মিক ওই বৈঠক বাতিল করেন।

ট্রাম্পের ওই শান্তিচুক্তির বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশেষত এমন এক মাসে ট্রাম্প ওই আলোচনা করতে যাচ্ছিলেন, যে মাসে নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ার হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় তালবান জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

রাজনীতি বিষয়ক সাময়িকী ফরেন পলিসিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ওই শান্তিচুক্তির বৈঠক সম্পর্কে বোল্টন বলেছিলেন, ‘কোনো সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে ক্যাম্প ডেভিডে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান একটি ‘ন্যক্কারজনক উদাহরণের’ জন্ম দেবে।’

মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here