শিক্ষার্থী হেনস্তাকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল জবির মূর্তমান আতঙ্ক

জবি প্রতিনিধি, নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৫:৪৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২০

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড.মোস্তফা কামাল সাধারন শিক্ষার্থীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন। প্রক্টর হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি নিজ ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাব গাছ থেকে ডাব পেড়ে খাওয়ার মত ছোট খাটো বিষয়ে থেকে শুরু করে রাতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের চলাফেরার বিষয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের হয়রানি করে চলছেন। কোনরকম অভিযোগ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে প্রক্টর অফিসে ধরে নিয়ে নানান ভাবে হেনস্তা করছেন ।কোন তদন্ত ছাড়াই দিচ্ছেন বহিষ্কারের সুপারিশ। এতে কোন অপরাধের সাথে যুক্ত না থেকেও শিক্ষার্থীরা বহিষ্কার হচ্ছেন।যা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বর্হিভূত। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সহকারী প্রক্টর থাকাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হিন্দু ধর্মালম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় উৎসবে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রক্টর ড. মোস্তফা কামালের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েও উঠেছে নানান বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জালিয়াতি করে অর্জিত পিএইডির সনদ গ্রহণ করার খবর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে তার মদদে ছাত্রলীগের একাংশ পত্রিকা পুড়িয়ে ক্যাম্পাসের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। এদিকে তার জালিয়াতি করে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় “সাংবাদিকদের মূর্খ” বলে আখ্যায়িত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন গুলো প্রক্টরের পিএইচডি ডিগ্রি জালিয়াতির বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে অধিকতর তদন্ত করার দাবি করে আসছে।

এবিষয়ে সম্প্রতি বিনা কারণে বহিষ্কার হওয়া আবু সুফিয়ান বলেন, বিনা কারণে আমাকে এবং আরও তিন জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শিক্ষার্থী হিসেবে বলির পাঠা হওয়া ছাড়া আমাদের করার কিছুই নেই । দেশের মানুষের কাছে আমাদের এমন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে যার কারণে আমাদের মানহানি ছাড়া আর বিশেষ কিছুই হয় নি। দ্বায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন একটি কাজ শিক্ষার্থী হিসেবে মানতে কষ্ট হয়।


বাংলাদেশ/জবি/প্রতিনিধি