নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাটকের শুটিং

স্টাফ রিপোর্টার, বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২০

করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য টেলিভিশন নাটক সংশ্লিষ্ট ১৪টি সংগঠন সম্মিলিতভাবে নাটকের শুটিং বন্ধ করে দেয় ২২ মার্চ থেকে।

কিন্তু এ ঘোষণা অমান্য করে সেদিনও রাজধানীর উত্তরার দুটি শুটিং হাউসে শুটিং করা হয় বলে কাজের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন নিশ্চিত করেছেন।


জানা যায়, শুটিং স্পটের দরজা ও জানালা বন্ধ করে শুটিং করছিলেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের তীর ছিল ‘আপনঘর-১’ ও ‘মন্দিরা’ শুটিংবাড়ি দুটির প্রতি। জানা গেছে, পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় একটি ধারাবাহিক নাটকের শুটিং শুরু করে আপনঘর-১ শুটিংবাড়িতে। যদিও বাড়িটির মালিক খলিলুর রহমান দাবি করেছেন তার অনুমতি ছাড়াই ইউনিট শুটিং করছিল।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে না জানিয়ে শুটিং হাউসের কর্মচারীকে চাপ দিয়ে তারা সকালের দিকে শুটিং শুরু করেন। কিন্তু বিভিন্ন পর্যায় থেকে আমার কাছে যখন ফোন আসে, তখন আমি সশরীরে সেখানে উপস্থি হয়ে শুটিং বন্ধ করে দেই। সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আর আমার শুটিং হাউসে আর শুটিংয়ের অনুমতি দেব না।’

এদিকে অভিযুক্ত পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আরটিভিতে একটি ধারাবাহিক নাটক চলছিল। আমাদের হাতে ছিল চার পর্বের শুটিং করা ফুটেজ। নাটকটি প্রচারের জন্য দু-তিনটি দৃশ্যের প্রয়োজন হয়। এ জন্য প্রযোজক অনুরোধ করলে আমি অনুমতির কথা বলি। তিনি অনুমতির আশ্বাস দিলে শুটিং শুরু করি। দুটি দৃশ্যের শুটিং হলে ডিরেক্টরস গিল্ড থেকে আমাকে ফোন করে শুটিং করতে নিষেধ করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে আমি শুটিং বন্ধ করি। পরবর্তী নির্দেশ না দিলে আর শুটিং করব না।’

এদিকে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘মন্দিরা’ শুটিংবাড়িতেও ২২ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত শুটিং হয়। এ বিষয়ে হাউসটির ম্যানেজার মিন্টু খান বলেন, ‘করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত একটি কাজের শুটিং হয় ২২ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এরপর থেকে আর কোনো শুটিংয়ের সিডিউল নেই আমাদের হাউসে। নিষেধাজ্ঞা যখন উঠে যাবে তখন আমরা আবার শুটিংয়ের জন্য হাউস ভাড়া দেব।’

হাউস দু’টিতে শুটিং করার খবর প্রকাশের পর নাট্যাঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে অভিনেতা, নির্মাতা, নাট্যকারসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ/স্টাফ/রিপোর্টার