আম্ফানের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন চুয়াডাঙ্গা

দৈনিক২৪, জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১:২৩ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০২০

আম্ফানের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা। চুয়াডাঙ্গায় বুধবার রাত ৯টা থেকে প্রচণ্ড গতিতে আঘাত হানে আম্ফান। রাত ১২টার সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৮২ কিলোমিটার। রাত সাড়ে ৩টার পর ঝড়ের গতিবেগ কিছুটা কমতে শুরু করে।

ঝড়ের আঘাতে জেলাব্যাপী ৩৩ কেভিএ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের অন্তত অর্ধশতাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ফলে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে অন্তত ৩ দিন সময় লাগতে পারে বলে চুয়াডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী ব্যবস্থাপক অমিত দাস জানিয়েছেন।


ঝড়ের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্কও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এছাড়া ঝড়ে জেলায় পাঁচ সহশ্রাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। দোকান-পাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে রাস্তার উপর পড়ায় জেলাব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া আম, কলা, পেঁপেসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. আলী হাসান বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরূপণ করা হচ্ছে। পরে জানানো হবে।

জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, বুধবার রাত ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত প্রচণ্ড বেগে ঝড় হয়েছে। তার ২০ বিঘা জমিতে আমবাগান ছিল। ঝড়ে ৭০ ভাগ আম পড়ে গেছে। এতে তার ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৭ লাখ টাকা।

একই উপজেলার কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার শিপলু বলেন, তার ইউনিয়নে ঝড়ে দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। ঝড়ের কারণে কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছামাদুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৮২ কিলোমিটার এবং বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৮ মিলিমিটার।

সুত্রঃ জাগো নিউজ

বাংলাদেশ/দৈনিক২৪