আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে বাধা নেই

দৈনিক২৪, নিজস্ব প্রতিবেদক বরগুনা
প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০২০

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করায় নেমেছে মহাবিপদ সংকেত। তাই উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ঘরে ফিরতে বাধা নেই।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল এ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, ‘আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। মহাবিপদ সংকেত উঠে যাওয়ায় আমরা সব ধরনের বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছি। মানুষের বাড়ি ফিরতে আর বাধা নেই।’

সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আমরা এখন ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করব। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে যার যার মন্ত্রণালয়ের পুনর্বাসনের কাজ তারা তারা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছি। তথ্য সংগ্রহ করার পর আগামীকাল (শুক্রবার) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করব আমরা।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ উপকূলীয় এলাকায় মোট আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৩৬টি। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২৪ লাখ মানুষ আশ্রয় নেয় বলে বুধবার বিকেলে জানিয়েছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।

বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যারাত থেকে শুরু হয় অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডব। সারারাত এটি ঘূর্ণিঝড় রূপে থেকেই দেশের দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে। সারারাত তাণ্ডব চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার পর এটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর স্থল নিম্নচাপ হিসেবে রাজশাহীতে অবস্থান করছিল আম্ফান। মোংলা, পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এদিকে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় নয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যশোরে দুজন, পটুয়াখালীতে দুজন, ভোলায় দুজন, পিরোজপুরে একজন, সন্দ্বীপে একজন ও সাতক্ষীরায় একজন রয়েছেন।

বাংলাদেশ/দৈনিক২৪