বিসিবি সরিয়ে দিলো আশরাফুলকে, তিনি জানালেন ‘থ্যাংক ইউ’
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজের আগে তাকে সরিয়ে দ...
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজের আগে তাকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আপাতত তার জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে আশরাফুলকে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে ‘থ্যাংক ইউ’ লেখেন সাবেক এই অধিনায়ক।
আশরাফুল নিজেও ক্রিকবাজের কাছে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করছি না।’ পাশাপাশি নতুন দায়িত্বের অপেক্ষায় থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজে আশরাফুলের পরিবর্তে দায়িত্ব সামলাবেন সালাউদ্দিন। স্থায়ীভাবে নতুন ব্যাটিং কোচ নিয়োগের বিষয়ে বিদেশী কয়েকজন কোচের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির এক কর্মকর্তা।
২০২৫ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আশরাফুল। তার অধীনে বাংলাদেশ আটটি টেস্ট খেলে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে, একটি ড্র করেছে এবং হেরেছে দুটিতে। তার সময়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। গত মে মাসে পাকিস্তানকেও একই ব্যবধানে হারায় দল। সেই সিরিজে ২৫৩ রান করে সিরিজসেরা হন মুশফিকুর রহিম, যার মধ্যে ছিল তার রেকর্ড ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি।
এছাড়া মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো পুরুষদের ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। তবে সব সংস্করণে সাফল্য সমান ছিল না। আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র করে দল। ডারউইনে জয়ের পর ম্যাকাইতে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে দুই দিনের মধ্যেই ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। জুনে অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ৩-০ ব্যবধানে হারে দল।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাবও আলোচনায় এসেছে। জাপানে এশিয়ান গেমস এবং আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল। এসব ফলাফল আশরাফুলকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।
তবে তার সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত সাফল্যও এসেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশী ব্যাটাররা মোট ১১টি সেঞ্চুরি করেছেন।
আশরাফুলের বিদায়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব সামলানোর চ্যালেঞ্জ এখন সালাউদ্দিনের সামনে। বিদেশী কোচ নিয়োগের আলোচনা চলায় সিরিজের পর এই পদে স্থায়ী নিয়োগের বিষয়ে বিসিবির সিদ্ধান্তের অপেক্ষা থাকবে।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনফাঁস হয়ে গেল ব্যালন ডি’অরে সেরা কোচের নাম!
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্...
ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) কোচ লুইস এনরিকেকে পেছনে ফেলে পুরস্কার জয়ের পথে রয়েছেন তিনি।
সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচজনের তালিকায় দে লা ফুয়েন্তে ও এনরিকের পাশাপাশি রয়েছেন আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি এবং বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) লন্ডনে জমকালো আয়োজনে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। সেখানে স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তার সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুজানসহ ফেডারেশনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
দে লা ফুয়েন্তের পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি স্পেনের সাম্প্রতিক সাফল্য। গত ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১২ বছর পর শিরোপা জেতে স্পেন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।
অন্যদিকে, পিএসজিকে টানা দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানোর কৃতিত্ব রয়েছে লুইস এনরিকের। ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্যও তাকে এই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার করে তুলেছে। তবে মুন্দো দেপোর্তিভোর দাবি, এবারের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে।
স্পেনের এই কোচের অধীনে দলটি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনদেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। এবার প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসি...
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। এবার প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন নির্ধারিত দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে, গত শুক্রবার সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।
বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনব্যাংকের সাপ্তাহিক ছুটি এক দিন করার দাবি দোকান মালিক সমিতির
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনের পরিবর্তে এক দিন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে
দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনের পরিবর্তে এক দিন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে ব্যাংকিং লেনদেন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি ও নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়ছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা ও আর্থিক ক্ষতি কমাতে কোনোভাবেই দেশকে দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে ফেলা উচিত নয়। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, থানা ও হাসপাতালের মতো জরুরি সেবা যেমন বন্ধ রাখা যায় না, তেমনি ব্যাংকিং কার্যক্রমও এক দিনের বেশি বন্ধ রাখা উচিত নয় বলে মনে করে সংগঠনটি।
দোকান মালিক সমিতির অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাতে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত এক দিন ব্যাংক বন্ধ রাখা হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে বন্ধের দিন খোলা রেখে বৃহস্পতিবার বা রোববার ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে দীর্ঘ ছুটির সৃষ্টি হয় এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিক লেনদেনে সমস্যায় পড়েন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির পাশাপাশি ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, পূজা, বড়দিনসহ বিভিন্ন উৎসব ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে বছরে প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকে। এতে ব্যাংকিং লেনদেন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সমিতির ভাষ্য, সাধারণত ব্যবসায়ীদের ব্যাংকঋণের বিপরীতে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ ছুটির কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হলে সেই সুদের কার্যকর বোঝা বেড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছায়।
সংগঠনটি বলেছে, বর্তমানে বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় লাগে না। এ অবস্থায় ব্যাংকিং কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।
দোকান মালিক সমিতির মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে পর্যটন, জ্বালানি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় আর্থিক লেনদেনের জট তৈরি হয়। পাঁচ থেকে সাত দিনের ছুটিতে হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন আটকে থাকে বলে দাবি সংগঠনটির।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা দিতে না পারায় ব্যবসায়ীদের তা নিজেদের বাসা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে রাখতে হয়। এতে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা বাড়ে। অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাতে হয় ব্যবসায়ীদের।
দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখা, ব্যাংকিং লেনদেনের বাধা কমানো এবং ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি ও নিরাপত্তাঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে সপ্তাহে এক দিন ব্যাংক বন্ধ রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
তবে ব্যাংকের সাপ্তাহিক ছুটি এক দিন করা হলে ব্যাংককর্মীদের কর্মঘণ্টা, গ্রাহকসেবা এবং আর্থিক খাতের কার্যক্রম কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনদেড়শ মাছ পরীক্ষায় মিলল ৯০ প্লাস্টিক কণা
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
দেশের অন্যতম আমিষের উৎস এবং অন্যতম বাণিজ্যিক পণ্য মিঠাপানির মাছ চাষে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিককে নতুন ঝুঁকি
দেশের অন্যতম আমিষের উৎস এবং অন্যতম বাণিজ্যিক পণ্য মিঠাপানির মাছ চাষে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিককে নতুন ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন গবেষকরা। ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ২৫টি মাছের পুকুরের তলদেশের পলি এবং ছয় প্রজাতির ১৫০টি মাছ পরীক্ষা করে ৯০টি প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকেরা।
পাশাপাশি গবেষণায় মাছের প্রজাতি, বসবাসের স্তর ও খাদ্যাভ্যাসভেদে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের হারে পার্থক্য দেখা গেছে। এতে জলজ পরিবেশের মান ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পরিবেশবিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. বদিউজ্জামান খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন ফ্রেশওয়াটার অ্যাকুয়াকালচার: এভিডেন্স অব সেডিমেন্ট–ফিশ ট্রান্সফার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটেড ইকোলজিক্যাল রিস্কস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণাটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী এনভায়রনমেন্টাল পলিউশন-এ প্রকাশিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছ চাষের পুকুরের পলি ও মাছের নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি, বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভাব্য পরিবেশগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয়েছে।
গবেষণার অংশ হিসেবে ত্রিশাল উপজেলার ২৫টি বাণিজ্যিক মাছের খামার থেকে পুকুরের তলদেশের পলি ও ছয় প্রজাতির মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মাছের প্রজাতিগুলো হলো- রুই, কাতলা, পাঙাশ, মৃগেল, কমন কার্প ও সরপুঁটি। প্রতিটি প্রজাতি থেকে ২৫টি করে মোট ১৫০টি মাছ নিয়ে রাসায়নিক ও অণুবীক্ষণিক বিশ্লেষণ করা হয়।
বিশ্লেষণে মাছের পরিপাকতন্ত্রে মোট ৯০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া যায়। প্রতি মাছের পরিপাকতন্ত্রে গড়ে শূন্য দশমিক ৬০টি কণা শনাক্ত হয়েছে।
প্রজাতিভেদে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের মাত্রায় পার্থক্য দেখা গেছে। সরপুঁটি-তে গড়ে সবচেয়ে বেশি, প্রতি মাছে ১ দশমিক ২০টি কণা পাওয়া গেছে। রুই ও কালিবাউশে এ হার ছিল গড়ে শূন্য দশমিক ৬৮টি করে।
অন্যদিকে, পরীক্ষা করা ২৫টি পুকুরের প্রতিটির তলদেশের পলিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি কেজি পলিতে গড়ে ১১ দশমিক ০৪টি কণা শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণায় প্রজাতিভেদে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার হারেও পার্থক্য দেখা গেছে। পাঙাশে এ হার সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ, রুইয়ে ৩৬ শতাংশ। এ ছাড়া, কাতলা ও মৃগেলে ২০ শতাংশ করে এবং কমন কার্প ও সরপুঁটিতে ১৬ শতাংশ হারে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।
মাছের বসবাসের স্তর ও খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গেও মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের সম্পর্ক দেখা গেছে। পুকুরের তলদেশে বসবাসকারী মাছের ক্ষেত্রে গ্রহণের হার ৫২ শতাংশ। মধ্যস্তরে বসবাসকারী মাছের ক্ষেত্রে এ হার ৩৫ শতাংশ এবং পানির উপরিভাগে বসবাসকারী মাছের ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ। খাদ্যাভ্যাসের ভিত্তিতে সর্বভুক মাছের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের হার ৫৮ শতাংশ, আর তৃণভোজী মাছের ক্ষেত্রে ৪২ শতাংশ।
গবেষণায় মাছের শারীরিক অবস্থা নির্ণয়ের সূচকও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তুলনামূলক কম মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণকারী সরপুঁটিতে ফাল্টনের কন্ডিশন ফ্যাক্টর বা কে-মান সর্বোচ্চ ২ দশমিক ২৭ পাওয়া গেছে। বিপরীতে কাতলা ও পাঙাশে এ মান ছিল যথাক্রমে শূন্য দশমিক ৩৫ ও শূন্য দশমিক ৩৭। পুকুরের পলিতে দূষণের মাত্রা বেশি।
পুকুরের তলদেশের পলিতে প্লাস্টিক দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে গবেষকেরা পলিউশন লোড ইনডেক্স (পিএলআই) ব্যবহার করেন। নমুনাগুলোতে এ সূচকের মান ছিল ১ থেকে ৪ দশমিক ৫। কয়েকটি নমুনায় দূষণের মাত্রা অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে পাওয়া গেছে।
গবেষকদের মতে, পুকুরের তলদেশের পলি মাইক্রোপ্লাস্টিকের দীর্ঘমেয়াদি আধার হিসেবে কাজ করতে পারে। পলি থেকে এসব কণা মাছের খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করতে পারে। ফলে মাছের বসবাসের পরিবেশ ও খাদ্য সংগ্রহের ধরন মাইক্রোপ্লাস্টিকের সংস্পর্শে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্লাস্টিকের ব্যাগ, জাল ও পাইপ সম্ভাব্য উৎস
মাছ ও পলির নমুনায় শনাক্ত প্লাস্টিকের রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষণ করে একাধিক ধরনের পলিমারের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মাছের পরিপাকতন্ত্রে শনাক্ত কণার মধ্যে পলিপ্রোপিলিন ছিল ২৪ শতাংশ, পলিস্টাইরিন ২১ শতাংশ, পলিকার্বনেট ১৯ শতাংশ, সেলুলোজ অ্যাসিটেট ১৫ শতাংশ, পলিইথিলিন টেরেফথালেট ১৩ শতাংশ এবং পলিইথিলিন ৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, পুকুরের পলিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে পলিইথিলিন—৩৯ শতাংশ। এরপর রয়েছে পলিপ্রোপিলিন ২৭ শতাংশ।
গবেষকদের বিশ্লেষণে মাছের খাদ্যের প্লাস্টিকের ব্যাগ ও প্যাকেজিং, মাছ ধরার নাইলন ও পলিয়েস্টারের জাল, পুকুরের পাড়ে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ত্রিপল এবং সেচকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পাইপের ক্ষয়কে মাইক্রোপ্লাস্টিকের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মাছের পরিপাকতন্ত্রে পাওয়া কণার মধ্যে ১ থেকে ৫ মিলিমিটার আকারের কণার আধিক্য ছিল। আকৃতির দিক থেকে খণ্ডিত ও অনিয়মিত কণা এবং তন্তু বা ফাইবার বেশি পাওয়া গেছে। রঙের মধ্যে কালো কণার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ।
মাইক্রোপ্লাস্টিক বলতে সাধারণত পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে বোঝানো হয়। প্লাস্টিকজাত বর্জ্য ভেঙে পরিবেশে এসব কণা তৈরি হতে পারে। জলাশয়ের তলদেশে জমে থাকা কণা মাছের খাদ্যগ্রহণের সময় পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করতে পারে।বাণিজ্যিক মাছ চাষের পুকুরে এসব কণার উপস্থিতি জলজ পরিবেশের মান ও খাদ্যনিরাপত্তা মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।
প্রধান গবেষক মো. বদিউজ্জামান খান বলেন, ‘গবেষণায় মাছের পরিপাকতন্ত্র পরীক্ষা করা হলেও মানুষের খাওয়ার উপযোগী মাছের পেশিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক জমার পরিমাণ সরাসরি পরিমাপ করা হয়নি। ফলে এসব মাছ খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের শরীরে কতটা মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করতে পারে বা এর স্বাস্থ্যগত প্রভাব কী, তা এই গবেষণা থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যৎ গবেষণায় মাছের পেশিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি এবং ভারী ধাতু ও অন্য ক্ষতিকর রাসায়নিকের সঙ্গে এর সম্মিলিত প্রভাব পরীক্ষা করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি মাছের খামারে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ব্যাগ, জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম যথাযথভাবে সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার, পুকুরে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা বন্ধ, পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার এবং পুকুরের পানি ও পলির গুণগত মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননালিতাবাড়ীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর ইসলাম ধর্ম গ্রহন
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক সেলুন ব্যবসায়ী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে মো. নাসির হোসাইন।
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক সেলুন ব্যবসায়ী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে মো. নাসির হোসাইন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) নালিতাবাড়ী উপজেলার পৌরশহরের আড়াইআনী বাজারের মার্কাজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ওবায়দুল হক তাকে কালিমা পাঠ করান। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ওই ব্যক্তির আগের নাম ছিল শ্রী গনেশ রবিদাস।
শহরের আড়াইআনী বাজারে ‘তিথি হেয়ার ড্রেসার’ নামে তার একটি সেলুনের দোকান রয়েছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজের ফেসবুক আইডির নামও পরিবর্তন করেছেন তিনি। আগে তার ফেসবুক আইডির নাম ছিল ‘শ্রী গণেশ’। বর্তমানে সেখানে নাম পরিবর্তন করে ‘মো. নাসির হোসাইন’ রেখেছেন।
নওমুসলিম মো. নাসির হোসাইন ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য, বই ও ওয়াজ শুনে আমি আকৃষ্ট হই। এরপর আমার কাছে মনে হয়েছে, ইসলাম ধর্ম সত্য ও সুন্দর। তাই আমি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।’
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে নতুন নেতৃত্বে হুমায়ুন কবির
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের আসন্ন বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। আগামী ১ থেকে ৪ নভেম্বর ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সময় হুমায়ুন কবির ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া সম্মেলনে অংশগ্রহণকালে তিনি একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমমর্যাদা ও প্রটোকল সুবিধা পাবেন বলেও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুন২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত আক্রান্ত ১৩৫৬ জন।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে এক হাজার ৩৫৬ জনের মধ্যে হামের সংক্রমণ শনাক্ত বা উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২২৭ জনে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ২২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন। অন্যদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ১২৩ জনের।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ১৬৪ জনে।
একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭৬ জন। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪০০ জনে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে মোট এক লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপ...
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৪৯ জন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ জন। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৭ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬০৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২২৭ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২০১ জন রয়েছেন।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৯৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন, রংপুর বিভাগে ৮২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর এ রোগে মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে প্রাণ হারান ৫৭৫ জন।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল আরও ভয়াবহ। ওই বছর দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। তাঁদের মধ্যে মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনদাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ৮২টি নৌকার ছবি ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও ছাপার কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় এবার আর সেগুলো স...
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ৮২টি নৌকার ছবি ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও ছাপার কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় এবার আর সেগুলো সংশোধন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি নিয়ে বিতর্কের পর সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, পাঠ্যবইয়ের ছবি নিয়ে বিতর্কের পর মুদ্রণ কার্যক্রম সংশোধন ও করণীয় নির্ধারণে শনিবার দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।
২০২৭ সালের জন্য মুদ্রিত প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’-এ ৩৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৩টি এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২৫টি নৌকার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব ছবির অনেকগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঠের সরাসরি যোগসূত্র নেই।
যেমন প্রথম শ্রেণির বইয়ে ‘আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়’ বাক্যের সঙ্গে নৌকার ছবি দেওয়া হয়েছে। একইভাবে ‘ভোর হলো’ কবিতা এবং ‘আমাদের দেশ’ সম্পর্কিত আলোচনাতেও নৌকার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়েও ‘আমাদের গ্রাম’ কবিতা, ‘আজিকার শিশু’ কবিতা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তালগাছ’ কবিতার মতো পাঠে নৌকার ছবি যুক্ত করা হয়েছে। তবে এনসিটিবির দাবি, নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে এসব ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের ‘নলেজ পিরামিড’ বা জ্ঞানের পিরামিডে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনসিটিবি জানিয়েছে, আইসিটি বইয়ের মোট ৩৮ লাখ কপির মধ্যে ১৮ লাখ স্কুল পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে, বাকি ২০ লাখ ছাপার কাজ চলছে। সরবরাহ করা বই ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা পরিবর্তন করে নতুন পৃষ্ঠা যুক্ত করা হবে।
এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হায়দার বলেন, বইয়ের ছবি বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে শিল্পীরা এঁকেছেন। কনটেন্ট পরিবর্তন না হলে ছবি পরিবর্তন করা কঠিন।
তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে বড় পরিবর্তন আনা হবে। তখন এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সূত্র: www.bd24live.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনসাইবার ওয়ারফেয়ারের জন্য কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক খাত এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট) গঠন ও কার্যকর করতে হবে।
সাইবার হামলার আশঙ্কা দেখা দিলেই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে ডিজিটাল সেবা, ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। আগাম প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতার ঘাটতিতে দেশে বারবার এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সর্বশেষ প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা এবং একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ বছরের পর বছর ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে নেওয়া হয়েছে নানা প্রকল্প।
এসব প্রকল্পে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও গড়ে ওঠেনি কার্যকর সাইবার প্রতিরোধব্যবস্থা। নিরাপত্তা হালনাগাদ করে দ্রুত ওয়েবসাইট চালু রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সেবা দেওয়ার সক্ষমতার পরিবর্তে ঝুঁকি দেখা দিলেই ওয়েবসাইট বন্ধ রাখাকে প্রধান কৌশল হিসাবে বেছে নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের সাইবার ওয়ারফেয়ারে বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত এবং সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা কতটুকু, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক শক্তির পাশাপাশি সাইবার হামলা প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি। তা না হলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সাইবার হামলার শিকার হয়ে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে দেশ।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও এশিয়া-প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টারের (এপনিক) নির্বাহী কমিটির (ইসি) সদস্য সুমন আহমেদ সাবির যুগান্তরকে বলেন, ভবিষ্যতে যুদ্ধের ধরন বদলে যাবে। সেখানে সাইবার ওয়ারফেয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে। ফলে বর্তমানের তুলনায় সাইবার হামলার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে এ ধরনের যুদ্ধ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এজন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ অটোমেশননির্ভর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এসব স্থাপনায় হামলা হলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়মিত পরীক্ষা, ঝুঁকি শনাক্ত এবং হামলার পর দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা এখন থেকেই নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সক্ষমতার ঘাটতি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা।
তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির নিজস্ব দক্ষ জনবল না থাকায় এতদিন কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে এজেন্সির জন্য ১০০টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এসব পদের অধিকাংশে কারিগরি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হবে। দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সচিব বলেন, সাইবার হামলার ঝুঁকি কোনো দেশই পুরোপুরি এড়াতে পারে না। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এ কারণে সরকার সাইবার নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামগ্রিক সক্ষমতার উন্নয়ন এবং অবকাঠামো শক্তিশালী করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি সাইবার ঝুঁকি শনাক্ত, পর্যবেক্ষণ ও মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (এসওসি) ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পিএইচপির ত্রুটিতে বন্ধ ব্যাংক ও ভূমিসেবা
প্রাপ্ত তথ্যমতে, বুধবার ওয়েবসাইট তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলা ও তথ্য চুরির আশঙ্কা তৈরি হয়। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান উইজের গবেষকরা ত্রুটি দুটি শনাক্ত করেন। ত্রুটি দুটি সার্ভারের মেমোরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলো কাজে লাগিয়ে সার্ভারে সংরক্ষিত সংবেদনশীল তথ্য চুরি এবং দূর থেকে ক্ষতিকর কোড চালানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি মোকাবিলা ও নিরাপত্তা জোরদারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের অন্তত ১০টি ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ রয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ভূমিসেবার ওয়েবসাইট। গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবার নিরাপত্তা এবং সাইবার হামলা মোকাবিলায় দেশের প্রস্তুতি নিয়ে এ ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, সাইবার হামলার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়নি।
তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকও একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। ওয়েবসাইট কবে চালু হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আইটি টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব ওয়েবসাইট চালুর চেষ্টা চলছে।
জরুরি সতর্কবার্তা জারি
সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিজিডি ই-গভ সার্ট) বৃহস্পতিবার পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের সার্ভারে পিএইচপির ব্যবহার শনাক্ত করা, ব্যবহৃত সংস্করণগুলো ঝুঁকিপূর্ণ কি না যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সার্টের সতর্কবার্তায় বলা হয়, সমস্যাটি মূলত পিএইচপির মেমোরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সার্ভারের মেমোরি শেষ হয়ে গেলে কিংবা মেমোরি খালি করার পরও পুরোনো রিকোয়েস্টের ডেটা থেকে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা বিশেষভাবে তৈরি এইচটিটিপি রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সার্ভারে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে।
সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর তাগিদ
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক খাত এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট) গঠন ও কার্যকর করতে হবে। এর মাধ্যমে সাইবার হামলা দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলা করা এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা সহজ হবে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা যুগান্তরকে বলেন, সাইবার নিরাপত্তার কোনো দুর্বলতা শনাক্ত হলেই ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া স্থায়ী সমাধান নয়। এতে জনগণের ডিজিটাল সেবা ব্যাহত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত নিরাপত্তা পরীক্ষা, সফটওয়্যার হালনাগাদ, সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। কোনো দুর্বলতা শনাক্ত হলে দ্রুত তা চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা রেখে ডিজিটাল সেবা সচল রাখার সক্ষমতাও গড়ে তুলতে হবে। সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শুধু প্রকল্প গ্রহণ বা প্রযুক্তি কেনাই যথেষ্ট নয়। এজন্য দক্ষ জনবল, জবাবদিহি এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ছাড়া প্রতিবার ঝুঁকি দেখা দিলেই ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া কার্যকর কৌশল হতে পারে না।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনশিশুদের ওজন কমাতে ওষুধ-অস্ত্রোপচার নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কড়া নির্দেশনা
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এতে ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের ওজন কমানোর ওষুধ ও অস্ত্রোপচার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে এসব চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শিশু-কিশোরদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা ও জীবনযাপনে পরিবর্তনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশেষ করে নয় বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের গ্যাস্ট্রিক বাইপাসের মতো অস্ত্রোপচার এবং জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
তবে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি যেসব কিশোর-কিশোরী গুরুতর স্থূলতায় ভুগছে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা উচ্চ রক্তচাপের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতিতে ওষুধ বা অস্ত্রোপচার বিবেচনা করা যেতে পারে। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চা অনুসরণ করেও সুফল না পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এসব চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে।
স্থূলতা কমাতে জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। তবে হু-এর পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক লুজ মারিয়া ডি রেগিল জানিয়েছেন, এসব ওষুধের কার্যকারিতা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য এখনো নেই। এ বিষয়ে গবেষণা চলছে। নতুন তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে নির্দেশিকায় পরিবর্তন আনা হতে পারে।
নির্দেশিকায় খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, ওষুধ, অস্ত্রোপচার ও জীবনযাপনের পরিবর্তনসংক্রান্ত বিদ্যমান তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে। শিশু-কিশোরদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্থূলতার কারণে অল্প বয়সেই বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে। ফ্যাটি লিভার, প্রিডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো জটিলতার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই শুরু থেকেই ওজন নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে পাঁচ থেকে ১৯ বছর বয়সি প্রায় ১৭ কোটি শিশু-কিশোর স্থূলতায় ভুগছিল। তাদের মধ্যে পাঁচ থেকে নয় বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা প্রায় সাত কোটি। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে স্থূলতার হার বৃদ্ধির বিষয়টিও উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
ল্যানসেটের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১৯৯০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মেয়েদের স্থূলতার হার বেড়েছে ৩ শতাংশ এবং ছেলেদের ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯০ সালে দেশটিতে স্থূলতায় আক্রান্ত মেয়েশিশুর সংখ্যা ছিল প্রায় দুই লাখ, যা ২০২২ সালে বেড়ে ৭৩ লাখে পৌঁছায়। একই সময়ে ছেলেদের সংখ্যা দুই লাখ থেকে বেড়ে ৫২ লাখ হয়েছে।
এদিকে, ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন ১২ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য সেমাগ্লুটাইড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ওষুধ ও অস্ত্রোপচারের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা। অস্ত্রোপচার তাদের পুষ্টি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও উদ্বেগ রয়েছে।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনশীতের আগে নাগরিকদের গ্যাসের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমানোর আহ্বান ইরানের
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
দেশজুড়ে গ্যাসের ব্যবহার অন্তত ১০ শতাংশ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
আসন্ন শীতে গ্যাসের সংকট আরও বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কায় দেশজুড়ে গ্যাসের ব্যবহার অন্তত ১০ শতাংশ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, আসন্ন শীত মোকাবিলায় গ্যাস সাশ্রয়ে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে যারা গ্যাসের ব্যবহার কমাবেন, সাশ্রয়ের পরিমাণ অনুযায়ী অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিওবার্তায় গালিবাফ বলেন, শীতের প্রস্তুতি হিসেবে দেশজুড়ে গ্যাসের ব্যবহার অন্তত ১০ শতাংশ কমাতে হবে। এজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আসন্ন শীত পার করতে দেশজুড়ে একটি উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, যার লক্ষ্য হবে গ্যাসের ব্যবহার অন্তত ১০ শতাংশ কমানো।
গালিবাফ আরও বলেন, যে কেউ যতটুকুই গ্যাস সাশ্রয় করবেন, তার সাশ্রয়ের সমপরিমাণ অর্থ সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যাংক হিসাবে জমা হবে। এতে প্রত্যেকে নিজের পরিবারের বাজেটে গ্যাস সাশ্রয়ের বাস্তব প্রভাব দেখতে পারবেন।
বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইরান দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের ঘাটতিতে ভুগছে। দেশটির ঘরবাড়িতে গরম রাখার ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি। শীতকালে এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে ইরানের উত্তরাঞ্চলে শীতের সময় তাপমাত্রা প্রায়ই হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।
গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে দেশটির জ্বালানি সংকট আরও বেড়েছে বলে তেহরানের দাবি। প্রায় ৪০ দিন ধরে চলা সংঘাতের সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালায়। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস পরিশোধনাগারও ছিল।
ফলে শীতের আগে গ্যাসের সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গালিবাফের প্রস্তাবিত উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে গ্যাসের ব্যবহার কমানো, অন্যদিকে সাশ্রয়ী পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। তবে কীভাবে সাশ্রয়ের পরিমাণ হিসাব করা হবে এবং অর্থ দেওয়ার পদ্ধতি কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সূত্র: আল-জাজিরা
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুন‘নেতানিয়াহু আর দেশ পরিচালনার যোগ্য নন’, দাবি ইসরাইলি বিরোধী দলের
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
ইসরাইলের আগামী নির্বাচনের ঠিক কয়েক দিন আগে বিরোধী দলের নেতা ও দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট সরাসরি দাবি করেছেন
ইসরাইলের আগামী নির্বাচনের ঠিক কয়েক দিন আগে বিরোধী দলের নেতা ও দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট সরাসরি দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশ চালানোর মতো অবস্থায় আর নেই। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে নেতানিয়াহু যে নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বা ভাবনার কথা বলছেন, তা দেশের নিরাপত্তার জন্য ভীষণ বিপজ্জনক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ‘য়াশার’ পার্টির নেতা আইজেনকোট অভিযোগ করেন, পুরো সমাজকে ভাগ করার পর এবং সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার পর নেতানিয়াহু এখন দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করার পথ ধরছেন। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু বাস্তব দুনিয়ার সাথে সব সম্পর্ক হারিয়ে কল্পনার জগতে বাস করছেন। পৃথিবীর সাধারণ আর্থিক ব্যবস্থা থেকে আলাদা হয়ে বিকল্প উপায়ে অর্থনীতি চালানোর যে পরিকল্পনা তিনি করছেন, তা একজন ভারসাম্যহীন মানুষের পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।
আসলে কয়েক দিন আগেই নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ইসরাইলের ওপর আন্তর্জাতিক ও ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞা এলে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন বিটকয়েন) ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করতে পারেন। আইজেনকোট নেতানিয়াহুর এই ধারণাকে টিপ্পনী কেটে ‘বিবি কয়েন’ বলে উপহাস করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর ভরসা করলে কীভাবে ইসরাইলি কোম্পানিগুলো বিদেশে পণ্য বেচবে কিংবা বিদেশি বিনিয়োগ আনবে? এর ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বিদেশে চলে যাবে, মানুষের কষ্টার্জিত সঞ্চয় নষ্ট হবে, চাকরি কমবে এবং শেষ পর্যন্ত হাসপাতাল ও স্কুলের মতো জরুরি খাতের বাজেট কমে গিয়ে দেশের নিরাপত্তাই চরম ঝুঁকিতে পড়বে।
শুধু রাজনৈতিক বিরুদ্ধাচারীই নন, ইসরাইলের নিজস্ব অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক কর্মকর্তারাও নেতানিয়াহুর এই ভাবনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়ানো সম্ভব নয়, আর এমন উল্টাপাল্টা কথা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অর্থনীতির ভীষণ ক্ষতি করছে। উল্লেখ্য, গাজায় যুদ্ধ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলের ওপর চাপ ও নিষেধাজ্ঞা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে নির্বাচনের ঠিক আগে দিয়ে নেতানিয়াহু ও তার বিরোধীদের মধ্যে বাকযুদ্ধ চরম রূপ নিয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনমুসলিম পরিচয়ে প্রেম-বিয়ের আসরে জানা গেল হিন্দু, অতঃপর...
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
কুড়িগ্রামের উলিপুরে সমাজের অপবাদ সইতে না পেরে গোয়ালঘরে ফাঁস দিয়ে নাজমা খাতুন (৪৪) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন।
কুড়িগ্রামের উলিপুরে সমাজের অপবাদ সইতে না পেরে গোয়ালঘরে ফাঁস দিয়ে নাজমা খাতুন (৪৪) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম নাওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই নারী ফেসবুকে মুসলিম পরিচয় দেওয়া এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে প্রেমিকার বাড়িতে ওই যুবক সাক্ষাৎ করতে এলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় বিয়ের আসরে বসে ওই যুবক হিন্দু বলে শনাক্ত হওয়ায় বিয়ে আটকে দেন এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দেন-দরবারে লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা হয় এবং এলাকাবাসীর অপবাদ সইতে না পেরে ওই নারী আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী ও মৃত নারীর স্বজন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ মাস ধরে উপজেলার ধামশ্রেণি ইউনিয়নের পশ্চিম নাওড়া এলাকার আব্দুল খালেকের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে নাজমা খাতুনের সঙ্গে ফেসবুকে সাইদুর রহমান পলাশের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এ সময় পলাশ নিজেকে রেল পুলিশের সদস্য দাবি করেন এবং বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে নাজমার কাছ থেকে স্বর্ণসহ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পলাশ ওই নারীর সঙ্গে দেখা করার জন্য পশ্চিম নাওড়া এলাকায় যান। এ সময় অপরিচিত যুবকের উপস্থিতি সন্দেহজনক হলে এলাকাবাসী উভয়কে আটক করেন। এরপর রাতেই উভয়ের সম্মতিতে এলাকাবাসী বিয়ের আয়োজন করেন। বিয়ের রেজিস্ট্রির জন্য যুবকের জাতীয় পরিচয়পত্র চাইলে ঘটে বিপত্তি। এ সময় প্রতারক পলাশের সঠিক পরিচয় বেরিয়ে আসে।
ওই যুবক পার্শ্ববর্তী পান্ডুল ইউনিয়নের খোঁচাবাড়ি এলাকার অমল চন্দ্রের ছেলে দুলাল চন্দ্র (৫৩) বলে সবাই জানতে পারেন। পরবর্তীতে বিবাহ আয়োজন বন্ধ হয়ে যায় এবং ছেলেকে আটক করে রাখা হয়। এ ঘটনা প্রকাশ পেলে ধামশ্রেণি ও পান্ডুল ইউনিয়নের প্রভাবশালী মহল বিষয়টি মীমাংসা করতে বসেন।
সরেজমিন রোববার ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় নাজমুল হক, মাহমুদুল হাসান সুজন ও গ্রামপুলিশ সৈয়দ আলীসহ অনেকে বলেন, পলাশ ওরফে দুলাল চন্দ্র ও নাজমা খাতুনকে আটক করা ব্যক্তিদের না জানিয়ে ওই প্রভাবশালী মহল যুবককে ছেড়ে দেন বলে তারা অভিযোগ করেন।
এদিকে হিন্দু যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ে না দিয়ে প্রভাবশালী মহল বিষয়টি মীমাংসা করে যুবককে ছেড়ে দেওয়ায় সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়ে এবং অপবাদ সইতে না পেরে রোববার দুপুরে নাজমা খাতুন নিজ বাড়ির গোয়ালঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে সবার অজান্তে আত্মহত্যা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ধামশ্রেণি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম বলেন, সেখানে পান্ডুল বিএনপির নেতা জিয়াউল হক বাদলসহ আমরা অনেকেই উপস্থিত ছিলাম। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় শনিবার রাতে উভয়পক্ষের স্বজনদের নিয়ে মীমাংসা করা হয়। সেখানে ওই নারীর ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রতারক যুবকের ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সবার উপস্থিতিতে মেয়ের স্বজনদের টাকা বুঝে দেওয়া হয়।
রোববার ওই নারীর আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা আমার জানা নেই।
পান্ডুল ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউল হক বাদলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শওকত আলী সরকার জানান, লাশ উদ্ধার করে বিকালে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হবে। এছাড়াও মৃত নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে শুনেছি। অভিযোগ হাতে পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুন‘মনে হতো মৃত্যুকে দেখছি’, মঞ্চে কেন এত ভয় পেতেন এ আর রহমান
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
ভারতের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। ভারতীয় সিনেমা থেকে শুরু করে বিশ্বের বড় বড় মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করে তিনি অর্জন করেছেন ব্যাপক খ্যাতি
ভারতের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। ভারতীয় সিনেমা থেকে শুরু করে বিশ্বের বড় বড় মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করে তিনি অর্জন করেছেন ব্যাপক খ্যাতি। দুইবার অস্কারজয়ী ও গ্র্যামি পুরস্কারজয়ী এই সংগীতশিল্পী বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্রে সুর সৃষ্টি করেছেন।
তার সুরের গান কয়েক প্রজন্মের শ্রোতার কাছে জনপ্রিয়। তবে সংগীতের জগতে এত সাফল্য অর্জন করলেও একসময় মঞ্চে উঠে সরাসরি দর্শকের সামনে গান পরিবেশন করতে ভয় পেতেন তিনি।
সম্প্রতি নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এ আর রহমান। তিনি বলেন, একসময় মঞ্চে পরিবেশনা আমার কাছে ছিল ভীতিকর অভিজ্ঞতা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন তিনি। ১৯৯৬ সালে প্রথম মঞ্চে সংগীত পরিবেশনের সময় থেকে এখন পর্যন্ত তার যাত্রায় এসেছে বড় পরিবর্তন।
হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মঞ্চে সংগীত পরিবেশনের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একসময় মঞ্চে দাঁড়ালে মনে হতো যেন মৃত্যুকে দেখছি। আমি ভীষণ ভীত ছিলাম!
এ আর রহমানের এই স্বীকারোক্তি থেকে বোঝা যায়, সংগীতজগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও সরাসরি দর্শকের সামনে পরিবেশনা তার জন্য সহজ ছিল না। মঞ্চে হাজারো দর্শকের সামনে সংগীত পরিবেশনের অভিজ্ঞতা ধীরে ধীরে তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
‘ওয়ান্ডারমেন্ট ট্যুর’ নিয়ে প্রস্তুতি
এদিকে নতুন সংগীত আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ আর রহমান। তার ‘ওয়ান্ডারমেন্ট ট্যুর’-এর মুম্বাই ও দিল্লি পর্বের প্রস্তুতি চলছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে দর্শকেরা তার জনপ্রিয় পুরোনো সুরের পাশাপাশি নতুন সংগীতও উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।
বড় পরিসরের এই লাইভ আয়োজনে থাকছে তার সংগীতজীবনের পরিচিত কাজগুলোর সঙ্গে নতুন পরিবেশনা। ভারতীয় চলচ্চিত্রের সংগীতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন রহমান। তার সুর বিভিন্ন ভাষার সিনেমাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং দেশ-বিদেশের শ্রোতাদের কাছে তাকে পরিচিত করেছে।
ক্যারিয়ারের শুরুতে মঞ্চভীতি থাকলেও এখন বিশ্বজুড়ে দর্শকের সামনে সংগীত পরিবেশন করেন তিনি। নিজের সেই পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে রহমান বুঝিয়েছেন, অভিজ্ঞতা ও সময়ের সঙ্গে ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনওরাই আমার পরিবারকে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করেন: কৃতি শ্যানন
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
ভাইকে রাখি পরার সময়ে মুক্তি পাওয়া একটি বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। এবার সেই বিতর্কের জেরে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে
ভাইকে রাখি পরার সময়ে মুক্তি পাওয়া একটি বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। এবার সেই বিতর্কের জেরে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘৃণা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেখানে নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী। যারা ভারতীয় সংস্কৃতি রক্ষার কথা বলেছিলেন, তারাই অনলাইনে কৃতির বাবা-মা ও বোনকে অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণ করেছেন।
গহনা প্রস্তুতকারী সংস্থার হয়ে একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন কৃতি শ্যানন। সেখানে তার পোশাক কেন্দ্র করে সমালোচনা ও বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে। বিজ্ঞাপনে ভাইকে রাখি পরানোর সময় কৃতি শ্যাননের আধুনিক ব্রালেট ও স্কার্ট পরা নিয়ে আপত্তি জানায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ। এর পাশাপাশি বিজ্ঞাপনে পোষ্য কুকুরের হাতে রাখি বাঁধার দৃশ্যটি নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।
সেই বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজের পোশাক নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে বিবৃতি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেয় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।
সম্প্রতি কারিনা কাপুর খানের ইউটিউব শোয়ে অতিথি হয়ে এসেছিলেন কৃতি শ্যানন। সেখানে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ছড়িয়ে পড়া ঘৃণা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী বলেন, 'এত ঘৃণা যে কেন! আমি সাধারণত পোস্টের নিচে মন্তব্য পড়ি না। কিন্তু কখনো কখনো মানুষ এতটা কুরুচিকর হয়ে ওঠেন! যারা সংস্কৃতি ও সম্মানের কথা বলেন, আশ্চর্যের বিষয়, তারাই আমার বাবা-মা ও বোনের পোস্টে সবচেয়ে নোংরা এবং অকথ্য ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন।'
কৃতি শ্যানন বলেন, 'আমার বোন আমাকে পরামর্শ দিয়েছিল যে, আমার মন্তব্য করার জায়গাটা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আমি জিজ্ঞাসা করি যে, কেন? কারণ ঘটনাটা আমাকে বিচলিত করেছিল। আমার মনে হয়, নারীদের নিজেদের জন্য সরব হওয়া জরুরি। এ মানুষগুলোকে কে অধিকার দিয়েছে এমন মন্তব্য করার? আর কীসের ভিত্তিতে এমন কথা বলেন তারা?'
রাখির বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্কের প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, 'সাধারণত আমি কোনো বিষয়ে কিছু বলি না। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল, এ বিতর্কটা শুধু আমাকে নিয়ে নয়। এর পেছনে আরও বড় একটা বিষয় রয়েছে। আমার মনে হয়, নারীদের সবসময় সবকিছুর জন্য বিচার করা হয়। ছোটখাটো বিষয়েও শুধু নারীদেরই নিশানা করা হয়। কী পোশাক পরবে, সে খুব বেঁটে না লম্বা, সে অন্তঃসত্ত্বা কিনা— এগুলো কী? তবে এটা একান্তই আমার মতামত।'
কৃতি শ্যানন বলেন, তারকারা অনেক সময়েই সহজ নিশানা হয়ে ওঠেন। একাধিক মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরাও মানুষ, এসব আমাদেরও আঘাত করে। সমাজে যে লিঙ্গবৈষম্য রয়েছে এবং পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা যেভাবে গভীরভাবে শিকড় তৈরি করেছে, তা নিয়ে আমি খুবই সরব। এ মানসিকতা ভাঙতে হলে বারবার আঘাত করতে হবে, তবেই তা ভাঙবে।'
উল্লেখ্য, কাজের ক্ষেত্রে কৃতি শ্যাননকে শেষ দেখা গেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমায়। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহীদ কাপুর ও রাশমিকা মান্দানা।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনপ্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন খায়রুল বাসার
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
নাটকের অভিনেতা খায়রুল বাসার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। সে কারণেই বিভিন্ন সময় তার নাম জড়িয়েছে নানা জনের সঙ্গে।
নাটকের অভিনেতা খায়রুল বাসার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। সে কারণেই বিভিন্ন সময় তার নাম জড়িয়েছে নানা জনের সঙ্গে। সাম্প্রতিক সময়ে তানজিন তিশা ও সাদনিমা বিনতে নোমানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কথা উঠেছে।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন বাসার। পডকাস্টে সঞ্চালক জানতে চান, তানজিন তিশার সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হলো কেন। উত্তরে বাসার বলেন, ‘প্রেমই যেখানে ছিল না, সেখানে বিচ্ছেদ হবে কীভাবে।’ তিনি জানান, তিশার সঙ্গে আগেও কথা হতো, এখনো হয়। আরও বলেছেন তিশা কিছুটা পাগলাটে ও রাগী স্বভাবের।
সাদনিমা বিনতে নোমানের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কি না, জানতে চাইলে বাসার সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, ‘না’। তার কথায়, সাদনিমা তার সহশিল্পী। মানুষ হিসাবে তিনি ভীষণ ভালো ও স্পষ্টবাদী। তবে নায়িকাদের সঙ্গে এসব গুঞ্জন তিনি উপভোগ করেন বলেও স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, প্রায় এক দশকের অভিনয় জীবনে ‘রোদ বৃষ্টির গল্প’, ‘জলকৌড়ি’, ‘নাইট গার্ড’, ‘বাবুই’, ‘শহরে অনেক রোদ’সহ বহু আলোচিত নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করেছেন এ অভিনেতা।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুন‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও শিল্পী দায়ী’— এসিল্যান্ডের পোস্ট নিয়ে যা জানা গেল
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ ফেসবুকে এমন পোস্ট দিয়ে চাঞ্চল্য করেছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান।
‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ ফেসবুকে এমন পোস্ট দিয়ে চাঞ্চল্য করেছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান। এই পোস্টের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এসিল্যান্ডকে। তার এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে পড়ে।
‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ এবং ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার’ ফেসবুকে এমন দুটি পোস্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন আরিফুর রহমান শান্ত।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে পোস্ট দুটি দেওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় তাকে প্রথমে সিলেটের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।
এদিকে ঘটনাটি ঘিরে ইউএনও শিল্পী রানী মোদকের সঙ্গে এসিল্যান্ডের বিরোধের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও এর কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান বলেন, জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড ও ইউএনওকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনার সমস্ত কিছু পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানকার ইউএনওর সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হওয়ার মতো কোনো বিষয় ছিল না। এসিল্যান্ডের সঙ্গে ইউএনওর বিরোধের যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কয়েক মিনিট পূর্বে তিনি তার পরিবারসহ ইউএনওর বাসায় জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছি উনি কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। ঘটনার তিন দিন আগে জামালগঞ্জে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যুর পর লাশ দেখে তিনি মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
তিনি বলেন, তিনি কর্মস্থলে ফেরার পর শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতের ঘটনা কেন কিভাবে ঘটেছে বিস্তারিত জানা যাবে। আমরা নিয়মিত তার খোঁজখবর রাখছি।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জের ইউএনও শিল্পী রানী মোদক বলেন, ‘প্রথমে জানতে পারি এসিল্যান্ডের মোবাইল হ্যাক হয়েছে। পরে তার স্ত্রী জানান, মোবাইল হ্যাক হয়নি, পোস্টগুলো এসিল্যান্ডই করেছেন। পরে তার স্ত্রী সেগুলো মুছে ফেলেন।
তিনি বলেন, পোস্ট দেওয়ার ছয় মিনিট আগেও তিনি (এসিল্যান্ড) আমার বাসায় ছিলেন। উনি সুস্থ হয়ে ফিরে এলে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে এসিল্যান্ড ঢাকার ধানমন্ডির একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে রোববার বিকালে গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান।
রোববার বিকালে যুগান্তরকে তিনি বলেন, জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ। ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে তিনি তার চট্টগ্রামের নিজ বাড়িতে যাচ্ছেন। সেখানে কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে কর্মস্থলে ফিরবেন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১টার দিকে জামালগঞ্জের এসিল্যান্ড আরিফুর রহমানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ প্রথম পোস্টটি দেওয়া হয়। কয়েক মিনিট পর তিনি দ্বিতীয় পোস্ট দেন ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার’। মুহূর্তের মধ্যে পোস্ট দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
পোস্ট দেওয়ার পরপরই ইউএনও শিল্পী রানী মোদক তার ফেসবুক পেজে এসিল্যান্ডের আইডি হ্যাক হওয়ার দাবি করে একটি পোস্ট দেন। এতে সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই এসিল্যান্ডের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দুটি মুছে ফেলা হয়।
পরে ইউএনও জানান, আইডি হ্যাক হয়নি, এসিল্যান্ডের স্ত্রী পোস্টগুলো মুছে দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
জানা গেছে, আরিফুর রহমান শান্ত প্রায় দুই মাস ধরে জামালগঞ্জে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তার পরিবার নিয়ে উপজেলা সদরে বসবাস করছেন।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনউচ্চকক্ষে অর্ধেক আসন ভোটের অনুপাতে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে অর্ধেক সদস্য ভোটের অনুপাতে এবং বাকি অর্ধেক সংসদীয় আসনের অনুপাতে নির্বাচনের প্রস্তাব উঠেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে।
সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে অর্ধেক সদস্য ভোটের অনুপাতে এবং বাকি অর্ধেক সংসদীয় আসনের অনুপাতে নির্বাচনের প্রস্তাব উঠেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে।
একই সঙ্গে উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাড়ে ছয় ঘণ্টার বৈঠকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন শিক্ষক উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, তার প্রস্তাবে অনেকে সমর্থন জানান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের সদস্যসংখ্যা হতে পারে ১০৫। এর মধ্যে ৫০ জন নির্বাচিত হবেন সংসদীয় আসনের অনুপাতে, ৫০ জন নির্বাচিত হবেন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে। বাকি পাঁচজনকে মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি। প্রস্তাবদাতার মতে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষাবিদও প্রস্তাবটিকে গ্রহণযোগ্য উল্লেখ করেন। তিনি উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন।
তার প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি করা যেতে পারে। উচ্চকক্ষের স্পিকার পদাধিকারবলে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সরকার ও বিরোধী দলের মনোনয়নের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি।
একই সঙ্গে সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব দেন ওই শিক্ষাবিদ। তার মতে, এতে সরকারের মেয়াদ শেষ হলেও অন্তত একটি নির্বাচিত সংসদ সব সময় বহাল থাকবে।
শনিবারের বৈঠকে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপকরা অংশ নেন। কমিটির পক্ষ থেকে ৬০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪৪ জন।
সরকারি দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সংসদীয় আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির কাঠামো, প্রক্রিয়া ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় কেউ কেউ প্রস্তাব করেছেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংসদে উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সরকার ও বিরোধী দলের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যেতে পারে।
এ ধরনের প্রস্তাব বিবেচনার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্পিকার ছাড়া অন্য উপদেষ্টাদের সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা যেতে পারে বলে অনেকে মতামত দিয়েছেন। বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
তবে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে বৈঠকের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। আরও প্রস্তাব পাওয়ার পর বিষয়গুলো কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে। এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর মধ্যে শনিবারের আলোচনা সবচেয়ে ফলপ্রসূ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কমিটির আরও এক বা দুটি বৈঠক বাকি রয়েছে। এরই মধ্যে প্রস্তাবগুলো সংকলনের কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো এবং প্রশাসনিক, আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিচারিক পর্যালোচনা নিয়েও আলোচনা হয়। এসব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে আলোচকরা মতামত দেন। বিভিন্ন দেশের বিচার বিভাগের এখতিয়ারসংক্রান্ত উদাহরণও তুলে ধরা হয় বলে জানান কমিটির সভাপতি।
এ ছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করার উপায়, বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন, অর্থবিল, আস্থা ভোট ও জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য সব বিষয়ে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে মোটামুটি ঐকমত্য হয়েছে বলে জানান কমিটির সভাপতি।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনপ্রধানমন্ত্রীর অনেক ভালো কাজই জনগণের কাছে পৌঁছাচ্ছে না: সোহেল রানা
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রীর অনেক ভালো কাজ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না বলে আক্ষেপ...
প্রধানমন্ত্রীর অনেক ভালো কাজ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা। তার মতে, সরকারের ভালো কাজ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।
আজ (২৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন সোহেল রানা। সেখানে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বিএনপির প্রচারব্যবস্থা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সরকারের সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা- দুই দিকই জনগণের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
স্ট্যাটাসে সোহেল রানা লেখেন, দলীয় কর্মকাণ্ড প্রচার এবং নেতিবাচক বিষয়গুলো রাজনৈতিক কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামীর একদল কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। তাদের অনেকে ‘বটবাহিনী’ নামে পরিচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কিছু নারীসহ এই কর্মীদের কেউ কেউ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হয়েও কাজ করছেন বলে তার দাবি। আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত কর্মী এবং জাতীয় পার্টির কমিটি থাকলেও বিএনপির ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় কর্মকাণ্ড প্রচারের তেমন উদ্যোগ তার চোখে পড়ছে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোর একটি উল্লেখ করে সোহেল রানা বলেন, এর মাধ্যমে সহজেই সাধারণ মানুষের কাছে বিভিন্ন তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভালো কাজগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি।
উদাহরণ হিসেবে তিনি পূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের প্রসঙ্গ টানেন। তার মতে, এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব যে বাংলাদেশ সবার দেশ। এসব কর্মসূচির ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যথাযথভাবে প্রচার করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সফরের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে না পাওয়া এবং কোথায় খাল খনন হচ্ছে, এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি কী-তা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকার বিষয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন সোহেল রানা। তার ভাষ্য, এসব কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য বিএনপির কার্যকর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কমিটি থাকা প্রয়োজন।
সোহেল রানার মতে, টেলিভিশনের টকশোতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করা হলেও সরকারের ভালো কাজের তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও উদ্যোগী হতে হবে। শুধু প্রশংসা নয়, সরকারের পক্ষে যেসব কাজ করা সম্ভব নয়, সেসব বিষয়ও জনগণকে স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। এতে মানুষ বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে পারবে এবং সরকারের কাজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কেও ধারণা পাবে।
এ সমস্যা সমাধানে প্রতিটি উপজেলায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অধীনে তিন সদস্যের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিষয়ক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন এই অভিনেতা। তার মতে, কেন্দ্রের অনুমতি নিয়ে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা যেতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও প্রয়োজনের বিষয়গুলোও সরকারের নজরে আনতে হবে।
তিনি আরও মনে করেন, শুধু টেলিভিশন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বক্তৃতা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। দেশের কল্যাণে কাজ করতে হলে নিজেদেরও সচেতন ও দক্ষ হতে হবে। জনগণের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ এবং তাদের সমস্যাগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও গড়ে তোলা প্রয়োজন।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে সোহেল রানা বলেন, কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে অন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে যেতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এই স্ট্যাটাসে সরকারের ভালো কাজের প্রচার বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং দেশের কল্যাণে সবাইকে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সোহেল রানা।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুন‘আমাকেই লক্ষ্য করে গুলি, তবে বেঁচে গেছি’: আসিফ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
রাজধানীর মগবাজারে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় মুখ...
রাজধানীর মগবাজারে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় মুখ খুলেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি চালালেও অক্ষত রয়েছেন এই গায়ক। তার ধারণা, দুর্বৃত্তরা তাকেই লক্ষ্যবস্তু করেছিল। তবে ঘটনার সময় গাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে পার্ক করা আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না এই সংগীতশিল্পী। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
এ ঘটনার পর শনিবার বিকেলে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আসিফ আকবর বলেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। সকালে পুলিশের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পরে বিকেলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বাসায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে কথা বলেন।
কেন তাকে লক্ষ্য করা হতে পারে, সে বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আসিফ আকবর জানান, তার প্রতিদিনের যাতায়াতের সময় সম্পর্কে হামলাকারীদের ধারণা থাকতে পারে। তিনি সাধারণত রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে অফিসে যান এবং ফজরের নামাজের আগে কিংবা পরে বাসায় ফেরেন।
গায়কের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তিনি অফিসেই ছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার দৃশ্য দেখার সময় ঘটনাটি তার নজরে আসে। তবে গুলির শব্দ তিনি শুনতে পাননি।
আসিফ আকবর বলেন, যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, তারা ভালো করেই জানেন তিনি কখন অফিসে যান এবং কখন বের হন। তার ধারণা, ওই সময়ের হিসাব করেই তাকে লক্ষ্য করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তিনি বলতে পারছেন না।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে এই সংগীতশিল্পী জানান, তিনি আর কিছুক্ষণ পরেই নিচে নামতেন। সে সময় গাড়ির আশপাশে তার উপস্থিতি থাকলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
তবে ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ, শত্রুতা কিংবা অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন এই সংগীতশিল্পী। কাউকে সন্দেহ করার মতো নির্দিষ্ট তথ্যও তার কাছে নেই।
এদিকে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, মগবাজারে আসিফ আকবরের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয় রয়েছে। বিশাল সেন্টারের সামনে পার্ক করা তার গাড়ি লক্ষ্য করে ভোরে গুলি চালানো হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশাল সেন্টার মার্কেটের নিচে পার্কিংয়ের জায়গায় গাড়িটি রাখা ছিল। ভোর পৌনে ৫টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এসে গাড়িটি লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়েন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাতিরঝিল থানা-পুলিশ। পরে গাড়ির পেছনের জানালা খুলে ভেতর থেকে একটি গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
তবে কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করছে পুলিশ।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনসীমান্তে বিএসএফের গুলি, বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি দিল বিজেপি বিধায়ক
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এবং ভারতের কোচবিহারের মেখলীগঞ্জ সীমান্তের...
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এবং ভারতের কোচবিহারের মেখলীগঞ্জ সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে গুলি বা স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক বিজেপি বিধায়ক বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন এবং গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন।
মেখলীগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায় বাংলাদেশিদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করে প্রকাশ্যেই বলেছেন, ‘আমাদের বিএসএফ সচেষ্ট রয়েছে। কোনো বাংলাদেশি জিহাদি হোক আর যে-ই হোক, ইন্ডিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তাদের গুলি করে দেওয়া হবে। কালকে কিছুটা তার প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এবং এরপর থেকে বিএসএফ আরও সতর্ক।’ এছাড়া, তিনি দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং জিরো পয়েন্টে কড়াকড়ি আরোপের কথাও জানান।
ভারতীয় গণমাধ্যমে একতরফাভাবে বাংলাদেশিদের ‘দুষ্কৃতিকারী’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও বাংলাদেশ প্রান্তের চিত্র ভিন্ন। স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের দাবি, তারা নিজেদের ভূখণ্ডের সীমানার ভেতরে থেকেই নদীতে কাজ করছিলেন। উল্টো বিএসএফ মাঝেমধ্যেই জিরো লাইন বা নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছাকাছি এসে অযাচিতভাবে শক্তি প্রদর্শন করে এবং সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর চড়াও হয়।
এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে সীমান্তে কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সূত্র ও সীমান্ত এলাকার দায়িত্বশীলরা জানান, ভারতীয় বাহিনীর এ ধরনের আগ্রাসী আচরণ এবং বিজেপি নেতার ‘গুলি করে মারার’ মতো প্রকাশ্য হুমকির বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।
সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে বিজিবি সবসময়ই যেকোনো ধরনের উত্তেজনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী, সীমান্তে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারিং বা উত্তেজনার সৃষ্টি হলে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয় এবং ফ্ল্যাগ মিটিং আহ্বান করা হয়। বিজিবি স্পষ্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সীমান্তে টহল ও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনসাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বন্ধ রাখার পরও রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে...
সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বন্ধ রাখার পরও রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে হ্যাকারের কবলে পড়েছে। ওয়েবসাইটের অন্তত দুটি স্থানে স্প্যাম শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো মেরামতের কাজ করছেন ব্যাংকটির তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিভাগের কর্মীরা। এ কারণে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ওয়েবসাইটটি সচল করা সম্ভব হয়নি।
জনতা ব্যাংকের আইটি বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “ওয়েবসাইটে দুটো অ্যাটাকের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সেগুলো ঠিকঠাক করতে সময় লাগছে। আশা করা যায়, আজকের মধ্যেই সচল করা সম্ভব হবে।”
বৈশ্বিক সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়।
পাঁচ দিনের ছুটি শেষে রবিবার ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট চালু করা হলেও জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট সচল করা যায়নি।
বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা এনিসা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
গত ২১ অক্টোবর প্রকাশিত যৌথ সতর্কবার্তায় সংস্থাগুলো জানায়, নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো কাজে লাগিয়ে হামলাকারীরা আক্রান্ত সার্ভারে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে। দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ করা সম্ভব না হলে ঝুঁকিতে থাকা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাময়িকভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এই সতর্কবার্তার পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেয়।
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট সচল ছিল।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনবিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে: কর্নেল অলি
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
সরকার (বিএনপি) ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ৮০ হাজার মানুষের চাকরি চলে...
সরকার (বিএনপি) ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ৮০ হাজার মানুষের চাকরি চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধের পথে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকার ক্ষমতায় আসার আগে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এখন উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রায় ৮০ হাজার মানুষের চাকরি চলে গেছে। নতুন করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে না, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হচ্ছে না। পুরোনো কর্মীদেরও ছাঁটাই করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। মানুষ রাতে নিরাপদে ঘুমাতে পারে না, রাস্তায় নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে না। দেশে আইনশৃঙ্খলা আছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।’
বিচারব্যবস্থা নিয়ে এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানুষ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। যারা সরকারের সঙ্গে আছে, তারা বিচার পাচ্ছে। কিন্তু সরকারের বাইরে থাকা মানুষ বিচার পাচ্ছে না। নিজের ছেলের পুনর্গণনা-সংক্রান্ত একটি মামলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, এ ধরনের বিষয়ে এক বছর ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অথচ প্রয়োজনীয় যুক্তি ও কাগজপত্র যাচাই করে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব।’
ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক ব্যাংক প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে দেশে থাকা যেসব ব্যাংকমালিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তাদের ব্যাংক পরিচালনার সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়া উচিত। এতে মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।’
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সমস্যার কথা তুলে ধরে এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনেক প্রবাসী দুই থেকে তিন বছর আগে ভিসা নিয়ে বিদেশে গেছেন। তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আইন অনুযায়ী নতুন ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করেছেন। এ জন্য এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হলেও অনেকে অনুমতি পাচ্ছেন না।’ বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের সমস্যার সমাধান করা। প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশে গিয়ে প্রবাসীদের সমস্যার কথা শোনেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নেন। রাষ্ট্রদূতদেরও দায়িত্ব হলো, সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশের নাগরিকদের সমস্যা সমাধান করা।’
এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশি কর্মীরা ফিরে এলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট আরও বাড়বে। তাই প্রবাসীদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে হবে।’
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রসঙ্গে অলি আহমেদ বলেন, ‘প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে, কিন্তু মানুষের আয় বাড়ছে না। এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিও সচল নেই, কারণ প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে না।’
প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘কিছু সংসদ সদস্য এলাকায় গেলে তাদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) থাকতে হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আলাদা। ইউএনও ও ওসির কাজ সংসদ সদস্যদের পেছনে ঘোরা নয়, বরং নিজ নিজ দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করা।’ প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়গুলো বোঝার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সময় থাকতে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে।
১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে এলডিপি চেয়ারম্যান জানান, সে সময় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করছিল। বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করে একটি সমঝোতার প্রস্তাব তৈরি করেন। তিনি বলেন, ‘প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচনের ৪০ দিন আগে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা বা উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামো ঠিক করার কথা ছিল। বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে কিছু শর্ত যুক্ত হওয়ায় সমঝোতা আর এগোয়নি।
এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, সেদিন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হলে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় আসতে পারত বলে তিনি মনে করেন। ওই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য তিনি বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনার চারপাশে যারা আছেন, তাদের অনেকেই আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা রাখেন না। তাদের কারণে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। আপনার শত্রু বিরোধী দল নয়, বরং আপনার আশপাশের ভুল পরামর্শদাতারা।
দুর্গাপূজার সময় কিছু নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়। একজন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হলো সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা। মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘মানুষের পেটে ভাত নেই, চোখে ঘুম নেই। অথচ এসব বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ বাড়ানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে জনগণের দুর্ভোগের দিকে নজর দিতে হবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের ঘোষণা দিন। তাহলে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনসিংহাসন টিকিয়ে রাখতে যতটুকু দরকার, বিএনপির কাছে গণঅভ্যুত্থানের ততটুকু হালাল: ফুয়াদ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সংবিধান মেনে করা হয়নি বরং সংবিধান খেলাপ করেই...
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সংবিধান মেনে করা হয়নি বরং সংবিধান খেলাপ করেই হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর যে সরকার গঠিত হয়েছে, তা গণঅভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে হয়েছে। ১০৬ অনুচ্ছেদের সাংবিধানিক প্রতারণা মেনে এই সরকার গঠিত হয়নি।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপির অনেক বুদ্ধিজীবী হয়েছেন—যাদের আমরা আগে চিনতাম না—তারা মূলত দুটি যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। প্রথমত, তারা বলেন, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হরফে হরফে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, তারা বলেন, গণভোটের ভাষা অনেক কঠিন, যা সাধারণ মানুষ বোঝে না। এ দুটি যুক্তির মধ্যেই একটি জালিয়াতি লুকিয়ে আছে। সরকারি দলের এই রাজনৈতিক প্রতারণা আমাদের জাতির কাছে পরিষ্কার করে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধ, গণঅভ্যুত্থান, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও বিপ্লব—কোনোটিই সংবিধানের ধারা-উপধারা মেনে হয় না। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানও সংবিধান খেলাপ করেই করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পর গঠিত সরকার পুরোপুরি গণঅভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে পরিকল্পিতভাবে পুরো বিতর্কটিকে সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্নে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে দিন শেষে বিপ্লবের বৈধতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। সরকার যে দ্বিচারিতার রাজনীতি করছে, বুঝে হোক বা না বুঝে, তার মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, শপথ ও সরকার গঠন অবৈধ হয়ে যায়, যা আবার বিএনপি মেনে নিতে নারাজ।
তিনি বলেন, ‘কেবল নিজেদের সিংহাসন টিকিয়ে রাখার জন্য যতটুকু ন্যায্য, বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের ততটুকুকে হালাল ও জায়েজ বলছে। বিএনপি এই যে প্রতারণা করছে, শেষ পর্যন্ত তা তাদের নিজেদের শাসনের বৈধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের চালু করা অপসংস্কৃতি, জামায়াত শিবিরও চর্চা করছে: আবু হানিফ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের চালু করা অপসংস্কৃতি, জামায়াত শিবিরও চর্চা করছে,বলে মন্তব্য করেছেন...
নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের চালু করা অপসংস্কৃতি, জামায়াত শিবিরও চর্চা করছে,বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, ‘আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীর মরদেহ জামায়াত শিবির তোপের মুখে ১৭ ঘণ্টা পর গভীর রাতে পরিবারের নারী সদস্যদের খোঁড়া কবরে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করে পুলিশ। অথচ জামায়াত বলেছিল তারা নাকি তাদের শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চায়, এই কেমন ইনসাফ তাদের?
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ আওয়ামিলীগের আমলে আমরা এমন দৃশ্য দেখেছিলাম। বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরে ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানীর নেতৃত্ব হামলা হয়েছিল। তাছাড়া ২০১৯ সালের ২২ জুন চট্টগ্রামের প্যারেড ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরীর জানাজায় হামলা করেছিল ছাত্রলীগ। এই দুইটা ঘটনাই চরম রাজনৈতিক অসভ্যতা। এমন সংস্কৃতি কারও জন্যই মঙ্গল নয়।’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি গণ অধিকার পরিষদেরজ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি গণ অধিকার পরিষদের
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক বিরোধীতার নামে মৃত মানুষের সাথেও প্রতিহিংসামূলক আচরণ করতে হবে, এমনটা কাম্য নয়। বাস্তবতা হলো নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের চালু করা অপসংস্কৃতি, জামায়াত শিবিরও চর্চা করছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে এমন অসভ্যতা আমরা আর দেখতে চাই না।’
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনআ.লীগকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করছে সরকার : নাহিদ ইসলাম
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে ফেরত আনার চেষ্টায় সরকার...
ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে ফেরত আনার চেষ্টায় সরকার বলে অভিযোগ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি-নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে রাজধানীর মিরপুরে লিফলেট বিতরণ এবং গণসংযোগ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন,আওয়ামী লীগ ও ভারতের সাথে আঁতাতের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হচ্ছে।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যারা অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন তারা কোনোভাবেই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
এসময় নিয়োগপ্রাপ্ত সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা সরকারের টাকায় নিজেদের প্রচারণা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনজুলাইয়ের হত্যাচেষ্টা মামলায় ফের ২ দিনের রিমান্ডে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী আ. জব্বারকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায়...
জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী আ. জব্বারকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আবারও দুই দিনের পুলিশি রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার নতুন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আদালতে দিলীপ আগারওয়ালাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আগের দফার জিজ্ঞাসাবাদে মামলাসংশ্লিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেলেও আরও তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তাকে অতিরিক্ত সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।
এর আগে গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ আগারওয়ালার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দিলীপ কুমার আগারওয়ালা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। মামলার ঘটনায় অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে দাবি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
গত ১৯ অক্টোবর রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার চোরাচালানসংক্রান্ত অভিযোগে অর্থপাচার আইনে করা একটি মামলায় তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অর্থপাচারের অভিযোগে তৎকালীন র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজধানীর বাড্ডায় হৃদয় আহমেদ নামে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার আওতাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন শিক্ষার্থী আ. জব্বার। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ তিনি উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে দিলীপ আগারওয়ালাকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনএবার ফেসবুকে লিংক শেয়ার করলে লাগবে অর্থ, বিপাকে সরকারি ও নন-প্রফিট পেজ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
এত দিন ফেসবুক পেজে লিংক শেয়ারের কোনও নির্দিষ্ট সীমা না থাকলেও...
এত দিন ফেসবুক পেজে লিংক শেয়ারের কোনও নির্দিষ্ট সীমা না থাকলেও এবার সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নন-প্রফিট সংস্থাগুলোর জন্য এ সুবিধা সীমিত করছে মেটা। পরীক্ষামূলক এ ব্যবস্থায় কোনও কোনও পেজে মাসে মাত্র দুটি লিংক পোস্ট করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর বেশি লিংক শেয়ার করতে হলে অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে ফেসবুকের মাধ্যমে জনসাধারণকে বিভিন্ন সেবা, কার্যক্রম ও জরুরি তথ্য জানানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গ্রিনভিল শহরের গ্রন্থাগারের ফেসবুক পেজে সম্প্রতি মাসিক লিংক শেয়ারের সীমা শেষ হওয়ার একটি নোটিফিকেশন দেখানো হয়। এতে বলা হয়, মাসে দুটি পোস্টে লিংক যুক্ত করার সুযোগ ইতোমধ্যেই ব্যবহার করা হয়ে গেছে। আরও লিংক শেয়ার করতে হলে মাসে অন্তত ৫০ ডলারের ‘মেটা ওয়ান’ সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে।
গ্রিনভিলের যোগাযোগ ব্যবস্থাপক ড্যানিয়েল স্টার্কস জানান, নগর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সেবার তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা নাগরিকদের কাছে পৌঁছাতে ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করা হয়। তাই শহরটির অন্যান্য বিভাগের পেজগুলোতেও একই বিধিনিষেধ আসার আশঙ্কায় কর্মীদের সাধারণ পোস্টে লিংক দেওয়া বন্ধ করে কমেন্ট সেকশনে লিংক যুক্ত করতে বলেছেন তিনি।
পাসওয়ার্ড ছাড়াই এআই এজেন্টের লগইন, ‘ওয়ান পাসওয়ার্ডে’র নতুন ফিচারপাসওয়ার্ড ছাড়াই এআই এজেন্টের লগইন, ‘ওয়ান পাসওয়ার্ডে’র নতুন ফিচার
একই সমস্যায় পড়েছে ইন্ডিয়ানাপোলিসের নন-প্রফিট সংস্থা ইস্ট সাইড প্রজেক্ট। সংস্থাটি প্রাণীদের খাবার সরবরাহের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রায় এক হাজার অনুসারীর ফেসবুক পেজে খাবার সংগ্রহের স্থান, অনুদান দেওয়ার পদ্ধতি ও স্বেচ্ছাসেবী হওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়। কিন্তু মাসিক সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় একটি অনুষ্ঠানের প্রচার করতে গিয়ে নিজেদের ওয়েবসাইটের লিংক দিতে পারেননি সংস্থাটির সহসভাপতি বেথানি ইংলিশ। মাসে ২০টি লিংক শেয়ারের সুযোগ পেতে তাকে ১৫০ ডলারের সাবস্ক্রিপশন নিতে বলা হয়। ছোট একটি নন-প্রফিট সংস্থার পক্ষে শুধু লিংক শেয়ারের জন্য এই অর্থ ব্যয় করা কঠিন বলে জানান তিনি।
মেটার সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানে মাসে ১৪ দশমিক ৯৯ ডলারের প্রাথমিক প্যাকেজে ফেসবুকে অতিরিক্ত লিংক শেয়ারের সুবিধা নেই। ৪৯ দশমিক ৯৯ ডলারের প্যাকেজে মাসে আটটি এবং ১৪৯ দশমিক ৯৯ ডলারের প্যাকেজে ২০টি লিংক শেয়ার করা যায়। ৪৯৯ দশমিক ৯৯ ডলারের প্যাকেজে লিংক শেয়ারের নির্দিষ্ট কোনও সীমা রাখা হয়নি।
মেটার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফেসবুকে লিংক শেয়ারিংয়ের সুবিধা সাবস্ক্রিপশনের আওতায় আনা যায় কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের মতামত ও পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে। তবে সরকারি ও নন-প্রফিট প্রতিষ্ঠানগুলোর পেজকে এই পরীক্ষার আওতায় রাখার কথা নয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ২৩ অক্টোবর মেটা আরও জানায়, নন-প্রফিট প্রতিষ্ঠান হিসেবে শনাক্ত হতে হলে ফেসবুক পেজে ‘ননপ্রফিট’ উল্লেখ থাকতে হবে।
তবে এ বিধিনিষেধ কীভাবে কার্যকর করা হচ্ছে, তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। কোনও কোনও পেজে পোস্টের বদলে কমেন্ট সেকশনে লিংক শেয়ার করা গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে সে সুযোগও সীমিত করেছে প্ল্যাটফর্মটি। এ পরিস্থিতিতে তথ্য প্রচারের জন্য ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প মাধ্যম ব্যবহারের কথাও বিবেচনা করছে।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনযে কোনো বাধা উপেক্ষা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
রাজধানীবাসীকে একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে যে কোনো বাধা উপেক্ষা করে...
রাজধানীবাসীকে একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে যে কোনো বাধা উপেক্ষা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর মগবাজারে সামাজিক সংগঠন ‘ফুটস্টেপ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, রাজধানীবাসীকে একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে যে কোনো বাধা উপেক্ষা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। আধুনিক একটি নগরী উপহার দেয়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
সেই লক্ষ্য পূরণে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, মিরপুরের পাশাপাশি যেখানেই ফুটপাত দখলের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে, সেখানেই অভিযান চালাবে উত্তর সিটি কর্পোরেশন। যত বাধাই আসুক না কেন, নগর উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে উল্লেখ করে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সবুজায়নের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য রাজধানী গড়ার করার পরিকল্পনার কথা জানান প্রশাসক।
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা যাতে বাস্তবায়ন না হয়, সেজন্য ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, তবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার তা রুখে দিয়ে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করবে।
এসময় নগর উন্নয়নে ফুটস্টেপের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রশাসক বলেন, এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে।
সূত্র: bartabazar.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনঢাকার আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ ছাড়া আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৯০ সেলসিয়াস। একই সঙ্গে ৭৩ শতাংশ।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনতেলের দামে বড় লাফ, দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং সৌদি আরবে হুথিদের ধারাবাহিক হামলায় জেরে বিঘ্ন হচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং সৌদি আরবে হুথিদের ধারাবাহিক হামলায় জেরে বিঘ্ন হচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ। এতে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। এতে এশিয়ার পাশাপাশি চাপ বাড়ছে ইউরোপেও।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম অন্তত ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬ দশমিক ৭২ ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে জ্বালানি তেলটির দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ, যা দুই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক বৃদ্ধি। শনিবার রয়টার্স বলছে, এটি গত মে মাসের পর তেলের সর্বোচ্চ দাম।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও ৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে শুক্রবার ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়েছে।
এশিয়ায় সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কাই দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বিশেষ করে সৌদি আরবে হুথিদের বারবার হামলা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ইউরোপের শেয়ারবাজারেও। দ্য আইরিশ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার লেনদেনের শুরুতে ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক স্টক্স ৬০০ দশমিক ১৩ শতাংশ কমে যায়। এর আগে বৃহস্পতিবার সূচকটি তিন সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতনের মুখে পড়ে। ফলে সপ্তাহজুড়েই সূচকটির দরপতনের আশঙ্কা তৈরি হয়।
এদিকে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তির লক্ষণ দেখা গেছে। দেশটির সরকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, পেট্রল ও ডিজেলের উৎপাদন বেড়েছে। পাশাপাশি জ্বালানির মজুতও বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান বিওকে ফাইন্যানশিয়াল সিকিউরিটিজের ট্রেডিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেনিস কিসলার বলেন, সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ইরানে আরও তীব্র হামলার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে বাজারে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: Jugantor
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনগরু বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগে সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার ১
admin
প্রকাশ:
dbcnews.tv
সাতক্ষীরা ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত চক্রের মূল হোতাকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
সাতক্ষীরা ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত চক্রের মূল হোতাকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এর আগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা ও খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ১৮ মাইল এলাকায় এসআরবি-৬ সিপিসি-১ সাতক্ষীরার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে হাতেনাতে ধরে।
অভিযান পরিচালনাকালে ওই স্থান থেকে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম আনিছুর রহমান পলাশ, যিনি এই চক্রের মূল হোতা বলে জানা গেছে।
এসআরবি-৬, সিপিসি-১-এর কোম্পানি কমান্ডার জাইন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে তালা সীমান্ত ও ডুমুরিয়া সংলগ্ন এলাকায় একটি চক্র বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘোড়া এখানে নিয়ে আসে, ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরুর মাংস হিসাবে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় বিক্রি করা হচ্ছে । খবর পাওয়ার পর থেকে আমরা এলাকাটিতে নজরদারি বাড়াই এবং গতকাল রাত থেকে ধারাবাহিক অভিযান শুরু করি।"
আমরা এখানে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাথা ও মাংস জব্দ করি এবং আরও একটি ঘোড়া জীবিত অবস্থায় জব্দ করা হয় এবং এর মূল হোতা আনিসুর রহমান পলাশ কে ধরতে সক্ষম হয়।
অভিযান শেষে শনিবার দুপুর ১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট আটক আনিছুর রহমান পলাশকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উদ্ধার করা জীবিত ঘোড়াটিকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এ ধরনের প্রতারণামূলক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
সূত্র: dbcnews.tv
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনফ্লাইট চালুর ঘোষণার পরই ফের হুথিদের হুমকি রিয়াদ বিমানবন্দরে
admin
প্রকাশ:
Jagonews24.com
দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক সে সময় বিমানবন্দরটিকে আবারও সামরিক নিশানার ঘোষণা করে হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথ
দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক সে সময় বিমানবন্দরটিকে আবারও সামরিক নিশানার ঘোষণা করে হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
বিমানবন্দর ব্যবহার না করতে বিমান সংস্থা, কর্মী ও যাত্রীদের সতর্ক করেছেন গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালুর কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার এক্সে দেওয়া ঘোষণায় বলা হয়, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলবে টার্মিনাল ১ থেকে। আর সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলবে টার্মিনাল ২ থেকে।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর হামলার পর বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছিল হুথিরা। এতে ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন।
গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে এটিই ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। দুই দিন পর বিমানবন্দর বন্ধ রাখার সময় বাড়ানো হয়।
এদিকে, সৌদি আরবের বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও তেল স্থাপনা নিশানা করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে হুথিরা। এসব হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরবের ওপর চাপ বাড়াতে চায় গোষ্ঠীটি।
অন্যদিকে, গত মাসে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভূখণ্ড দখল নেয় হুথিরা।
এর জবাবে গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালাতে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে, হুথিদের অবস্থান নিশানা করে হামলা চালিয়ে সামরিক তৎপরতাও বাড়িয়েছে দেশটি।
সূত্র: Jagonews24.com
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর
দৈনিক ২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি সঞ্চার, দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক আস্থা জোরদারের আশা করছে টোকিও।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি সঞ্চার, দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক আস্থা জোরদারের আশা করছে টোকিও। বিশেষ করে বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে জাপান।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর দেশটিতে সরকারি সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২০ অক্টোবর দুই দেশের সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ সফরের ঘোষণা দেয়।
সফরের দ্বিতীয় দিন ২৭ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এ উপলক্ষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন বলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম জাপান সফরকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকায় জাপান দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ বাসসের এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছে, এ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা করছে।
জাপান মনে করে, এ সফর আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে দুই দেশ তাদের অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো পুনর্ব্যক্ত করতে পারবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা করতে পারবে।
অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে জাপান দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ বলেছে, নতুন সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের উন্নতি হচ্ছে। বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মানবসম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকেও জাপান বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন। এছাড়া তিনি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিনিয়োগের সুযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করবেন ।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কর্মসূচিতে জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগ এবং জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক রয়েছে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) প্রেসিডেন্ট, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রেসিডেন্ট, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।
সফরের সম্ভাব্য কর্মসূচিতে চিবা প্রিফেকচারের ফুতসু শহরের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের পাশাপাশি ইউনিক্লোর সদর দপ্তর এবং নাগোয়া শহরে টয়োটার একটি কারখানা পরিদর্শনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সফরে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এ ছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতার বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে।
জাপান দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ জানিয়েছে, সফরটি বিনিয়োগসংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করা, ব্যবসায়িক আস্থা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক উদ্যোগগুলোর জন্য শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
জাপান একই সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও অঙ্গীকারের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। দেশটির মতে, আলোচনায় অভিন্ন অগ্রাধিকার নির্ধারণের পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। চলমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোতে দৃশ্যমান অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে জাপান বলেছে, বিদ্যমান উদ্যোগগুলোতে বাস্তব উন্নতি ব্যবসায়িক আস্থা বাড়াতে এবং নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সহায়ক হবে।
স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম প্রধান অংশীদার জাপান। দেশটি বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ গঠন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ঢাকার মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন জাপানের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিনিয়োগ, বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়ন দুই দেশের অভিন্ন অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে থাকবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুনসবুজ নগর গড়তে ছাদবাগান কেন হতে পারে নতুন সম্ভাবনা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
শহরের সীমিত জায়গায় গাছ লাগানো, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ছাদবাগান গড়ে তোলার নানা দিক।
এটি দৈনিক২৪-এর bangladesh বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
শহরের সীমিত জায়গায় গাছ লাগানো, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ছাদবাগান গড়ে তোলার নানা দিক। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
গ্রামের পাঠাগারে বইয়ের সঙ্গে বেড়ে ওঠার গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
ছোট একটি পাঠাগার কীভাবে শিশু-কিশোরদের বই পড়া, আলোচনা এবং নতুন কিছু শেখার জায়গা হয়ে উঠতে পারে।
এটি দৈনিক২৪-এর bangladesh বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
ছোট একটি পাঠাগার কীভাবে শিশু-কিশোরদের বই পড়া, আলোচনা এবং নতুন কিছু শেখার জায়গা হয়ে উঠতে পারে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
নদী ও মানুষের সম্পর্ক: প্রকৃতির সঙ্গে টিকে থাকার পাঠ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
নদীর তীরের জীবন, স্থানীয় পরিবেশ ও জীবিকার সম্পর্ক বোঝার একটি পরিচিতিমূলক আয়োজন।
এটি দৈনিক২৪-এর bangladesh বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
নদীর তীরের জীবন, স্থানীয় পরিবেশ ও জীবিকার সম্পর্ক বোঝার একটি পরিচিতিমূলক আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
দেশ ঘুরে দেখার আগে যে প্রস্তুতিগুলো কাজে আসে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
ভ্রমণের পরিকল্পনা, স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান ও প্রকৃতি পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়গুলো একসঙ্গে জেনে নিন।
এটি দৈনিক২৪-এর bangladesh বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
ভ্রমণের পরিকল্পনা, স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান ও প্রকৃতি পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়গুলো একসঙ্গে জেনে নিন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বদলে যাচ্ছে নগরজীবন, বাসযোগ্য শহর গড়তে কোন বিষয়গুলো জরুরি?
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
বদলে যাচ্ছে নগরজীবন, বাসযোগ্য শহর গড়তে কোন বিষয়গুলো জরুরি?
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
পাহাড়ের পথে, প্রকৃতির খোঁজে: ভ্রমণের গল্পে অন্য এক পৃথিবী
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
পাহাড়ের পথে, প্রকৃতির খোঁজে: ভ্রমণের গল্পে অন্য এক পৃথিবী
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
প্রযুক্তির বদলে যাওয়া পৃথিবীতে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
প্রযুক্তির বদলে যাওয়া পৃথিবীতে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার আকর্ষণ, দায়িত্বশীল পর্যটন কেন জরুরি?
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার আকর্ষণ, দায়িত্বশীল পর্যটন কেন জরুরি?
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
জ্ঞান, কৌতূহল আর নতুন কিছু শেখার গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
জ্ঞান, কৌতূহল আর নতুন কিছু শেখার গল্প
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
খেলার মাঠ থেকে জীবনের শিক্ষা, নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
খেলার মাঠ থেকে জীবনের শিক্ষা, নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের গল্প
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
জলবায়ুর পরিবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কী প্রভাব ফেলছে?
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
জলবায়ুর পরিবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কী প্রভাব ফেলছে?
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
অর্থনীতির প্রতিদিনের খবর সহজ ভাষায় বুঝবেন যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
অর্থনীতির প্রতিদিনের খবর সহজ ভাষায় বুঝবেন যেভাবে
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বইয়ের পাতায় নতুন পৃথিবী, তরুণদের পাঠাভ্যাসে কী পরিবর্তন আসছে?
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
বইয়ের পাতায় নতুন পৃথিবী, তরুণদের পাঠাভ্যাসে কী পরিবর্তন আসছে?
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
শ্রেণিকক্ষের বাইরে শেখার নতুন সুযোগ খুঁজছে শিক্ষার্থীরা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
শ্রেণিকক্ষের বাইরে শেখার নতুন সুযোগ খুঁজছে শিক্ষার্থীরা
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বদলে যাওয়া নগরজীবন: টেকসই উন্নয়নের পথে আমাদের শহর কতটা প্রস্তুত?
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
বাড়ছে শহর, বদলাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। পরিবহন, সবুজ পরিসর ও নাগরিক সুবিধা নিয়ে ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনায় কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
আলোকচিত্রীর চোখে পাখিদের রঙিন পৃথিবী
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
আলোকচিত্রীর চোখে পাখিদের রঙিন পৃথিবী
এই প্রতিবেদনটি দৈনিক২৪-এর সংবাদপৃষ্ঠার নকশা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা। এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী; এটি কোনো যাচাইকৃত ঘটনার সংবাদ নয়।
বিষয়টির পটভূমি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য এই অংশে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে। পাঠক যেন সহজে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য ছোট অনুচ্ছেদে সংবাদ সাজানো হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশের সময় এখানে যাচাইকৃত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্র যুক্ত করা হবে।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
স্থানীয় সরকার কীভাবে কাজ করে, নাগরিকদের জানা কেন জরুরি
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
স্থানীয় সেবা, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব ও নাগরিক অংশগ্রহণের বিষয়গুলো সহজভাবে বোঝার চেষ্টা।
এটি দৈনিক২৪-এর politics বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
স্থানীয় সেবা, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব ও নাগরিক অংশগ্রহণের বিষয়গুলো সহজভাবে বোঝার চেষ্টা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
গণতন্ত্রে আলোচনার জায়গা: ভিন্নমত শোনার গুরুত্ব
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
মতামতের পার্থক্য থাকলেও তথ্যভিত্তিক ও সম্মানজনক আলোচনা কীভাবে গড়ে তোলা যায়।
এটি দৈনিক২৪-এর politics বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
মতামতের পার্থক্য থাকলেও তথ্যভিত্তিক ও সম্মানজনক আলোচনা কীভাবে গড়ে তোলা যায়। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
নির্বাচনী তথ্য যাচাই করবেন যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা দাবি, ছবি ও পুরোনো বক্তব্য যাচাই করার কিছু প্রাথমিক পদ্ধতি।
এটি দৈনিক২৪-এর politics বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা দাবি, ছবি ও পুরোনো বক্তব্য যাচাই করার কিছু প্রাথমিক পদ্ধতি। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
তরুণদের নাগরিক অংশগ্রহণের নতুন পথ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
স্বেচ্ছাসেবা, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও জনস্বার্থের তথ্য জানার মধ্য দিয়ে নাগরিক ভূমিকা চর্চা।
এটি দৈনিক২৪-এর politics বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
স্বেচ্ছাসেবা, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও জনস্বার্থের তথ্য জানার মধ্য দিয়ে নাগরিক ভূমিকা চর্চা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বিশ্বের শহরগুলোতে হাঁটার উপযোগী রাস্তা নিয়ে ভাবনা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
পথচারীর নিরাপত্তা, গণপরিবহন ও উন্মুক্ত পরিসর মিলিয়ে বাসযোগ্য শহরের ধারণা নিয়ে আলোচনা।
এটি দৈনিক২৪-এর world বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
পথচারীর নিরাপত্তা, গণপরিবহন ও উন্মুক্ত পরিসর মিলিয়ে বাসযোগ্য শহরের ধারণা নিয়ে আলোচনা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
পাহাড়, বন আর মানুষের জীবন: ছবিতে প্রকৃতির গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে মানুষের বসতি ও জীবনযাত্রার সম্পর্ক দেখার একটি আয়োজন।
এটি দৈনিক২৪-এর world বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে মানুষের বসতি ও জীবনযাত্রার সম্পর্ক দেখার একটি আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য জানার সহজ উপায়
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
ভাষা, খাবার, শিল্প ও স্থানীয় ইতিহাসের মধ্য দিয়ে ভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার পথ।
এটি দৈনিক২৪-এর world বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
ভাষা, খাবার, শিল্প ও স্থানীয় ইতিহাসের মধ্য দিয়ে ভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার পথ। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য কমানো, স্থানীয় সেবা ব্যবহার ও প্রাণবৈচিত্র্যের প্রতি দায়িত্বশীল থাকার ভাবনা।
এটি দৈনিক২৪-এর world বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য কমানো, স্থানীয় সেবা ব্যবহার ও প্রাণবৈচিত্র্যের প্রতি দায়িত্বশীল থাকার ভাবনা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
মাসের বাজেট সাজাতে আয়-ব্যয়ের হিসাব কেন দরকার
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
দৈনন্দিন খরচের খাতা রাখা ও প্রয়োজনভিত্তিক খরচ আলাদা করে দেখার একটি সাধারণ পরিচিতি।
এটি দৈনিক২৪-এর economy বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
দৈনন্দিন খরচের খাতা রাখা ও প্রয়োজনভিত্তিক খরচ আলাদা করে দেখার একটি সাধারণ পরিচিতি। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
ছোট ব্যবসার ডিজিটাল যাত্রায় যে বিষয়গুলো সামনে আসে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
পণ্যের তথ্য, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ ও হিসাব সংরক্ষণের মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা।
এটি দৈনিক২৪-এর economy বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
পণ্যের তথ্য, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ ও হিসাব সংরক্ষণের মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বাজারের খবর পড়তে যে শব্দগুলো জানা কাজে আসে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য ও উৎপাদনের মতো অর্থনীতির পরিচিত ধারণাগুলো সহজভাবে ব্যাখ্যা।
এটি দৈনিক২৪-এর economy বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য ও উৎপাদনের মতো অর্থনীতির পরিচিত ধারণাগুলো সহজভাবে ব্যাখ্যা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
স্থানীয় পণ্য ও উদ্যোক্তার গল্প কেন গুরুত্বপূর্ণ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
কারিগরি দক্ষতা, পণ্যের মান ও ক্রেতার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে স্থানীয় উদ্যোগকে বোঝার চেষ্টা।
এটি দৈনিক২৪-এর economy বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
কারিগরি দক্ষতা, পণ্যের মান ও ক্রেতার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে স্থানীয় উদ্যোগকে বোঝার চেষ্টা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
পাড়ার মাঠে খেলার আনন্দ ফিরিয়ে আনার ভাবনা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
সবার জন্য খেলার সুযোগ, নিরাপদ মাঠ ও নিয়মিত দলীয় আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে একটি ফিচার।
এটি দৈনিক২৪-এর sports বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
সবার জন্য খেলার সুযোগ, নিরাপদ মাঠ ও নিয়মিত দলীয় আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে একটি ফিচার। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
খেলার পরিসংখ্যান দিয়ে ম্যাচ বুঝবেন যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
স্কোরের বাইরেও পারফরম্যান্সের নানা তথ্য কীভাবে ম্যাচের গল্প বুঝতে সাহায্য করে।
এটি দৈনিক২৪-এর sports বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
স্কোরের বাইরেও পারফরম্যান্সের নানা তথ্য কীভাবে ম্যাচের গল্প বুঝতে সাহায্য করে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
একটি দলের শক্তি গড়ে ওঠে যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
অনুশীলন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক আস্থার মধ্য দিয়ে দলগত খেলার প্রস্তুতির গল্প।
এটি দৈনিক২৪-এর sports বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
অনুশীলন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক আস্থার মধ্য দিয়ে দলগত খেলার প্রস্তুতির গল্প। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
খেলাধুলার ছবিতে ধরা পড়া অনুভূতি ও মুহূর্ত
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
মাঠের গতি, দর্শকের আবেগ ও ম্যাচের ছোট ছোট মুহূর্ত নিয়ে আলোকচিত্রের আয়োজন।
এটি দৈনিক২৪-এর sports বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
মাঠের গতি, দর্শকের আবেগ ও ম্যাচের ছোট ছোট মুহূর্ত নিয়ে আলোকচিত্রের আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বড় পর্দায় গল্প বলার ভাষা কীভাবে বদলাচ্ছে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
চিত্রনাট্য, দৃশ্যের বিন্যাস ও শব্দের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের গল্প নির্মাণ নিয়ে আলোচনা।
এটি দৈনিক২৪-এর entertainment বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
চিত্রনাট্য, দৃশ্যের বিন্যাস ও শব্দের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের গল্প নির্মাণ নিয়ে আলোচনা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
বই থেকে চলচ্চিত্র: পরিচিত গল্পের নতুন রূপ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
লেখার চরিত্র ও পরিবেশ পর্দায় তুলে ধরতে নির্মাতাদের সৃজনশীল সিদ্ধান্তগুলো বোঝার চেষ্টা।
এটি দৈনিক২৪-এর entertainment বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
লেখার চরিত্র ও পরিবেশ পর্দায় তুলে ধরতে নির্মাতাদের সৃজনশীল সিদ্ধান্তগুলো বোঝার চেষ্টা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
মঞ্চের আলোয় শিল্পীর প্রস্তুতির অদেখা গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
মহড়া, পোশাক, আলো ও দলগত কাজ মিলিয়ে একটি মঞ্চ আয়োজনের পেছনের পৃথিবী।
এটি দৈনিক২৪-এর entertainment বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
মহড়া, পোশাক, আলো ও দলগত কাজ মিলিয়ে একটি মঞ্চ আয়োজনের পেছনের পৃথিবী। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
ছবি ও সংগীতে প্রকৃতির অনুপ্রেরণা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
রঙ, ঋতু ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শিল্পচর্চায় কীভাবে নতুন ভাবনার জায়গা করে দেয়।
এটি দৈনিক২৪-এর entertainment বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
রঙ, ঋতু ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শিল্পচর্চায় কীভাবে নতুন ভাবনার জায়গা করে দেয়। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
অনলাইন অ্যাকাউন্টে দুই ধাপের যাচাই কেন ব্যবহার করবেন
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি আরেকটি যাচাই ব্যবস্থা কীভাবে অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা বাড়াতে সাহায্য করে।
এটি দৈনিক২৪-এর technology বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি আরেকটি যাচাই ব্যবস্থা কীভাবে অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা বাড়াতে সাহায্য করে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্তর যাচাই করা কেন প্রয়োজন
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি লেখা ও তথ্য ব্যবহারের আগে উৎস, প্রসঙ্গ ও নির্ভুলতা যাচাইয়ের গুরুত্ব।
এটি দৈনিক২৪-এর technology বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি লেখা ও তথ্য ব্যবহারের আগে উৎস, প্রসঙ্গ ও নির্ভুলতা যাচাইয়ের গুরুত্ব। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
ফোনে ছবি গুছিয়ে রাখার সহজ অভ্যাস
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
অ্যালবাম, ফাইলের নাম ও ব্যাকআপের মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় ছবি খুঁজে পাওয়ার প্রস্তুতি।
এটি দৈনিক২৪-এর technology বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
অ্যালবাম, ফাইলের নাম ও ব্যাকআপের মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় ছবি খুঁজে পাওয়ার প্রস্তুতি। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
ডিজিটাল জীবনে ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
অ্যাপের অনুমতি, শেয়ার করা তথ্য ও অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তার অপশনগুলো চিনে নেওয়ার আয়োজন।
এটি দৈনিক২৪-এর technology বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
অ্যাপের অনুমতি, শেয়ার করা তথ্য ও অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তার অপশনগুলো চিনে নেওয়ার আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
স্বাস্থ্যসংক্রান্ত খবর পড়ার সময় উৎস যাচাই করবেন যেভাবে
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
গবেষণার ধরন, প্রকাশের সময় ও তথ্যের সীমাবদ্ধতা দেখে স্বাস্থ্যবিষয়ক দাবি বোঝার চেষ্টা।
এটি দৈনিক২৪-এর health বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
গবেষণার ধরন, প্রকাশের সময় ও তথ্যের সীমাবদ্ধতা দেখে স্বাস্থ্যবিষয়ক দাবি বোঝার চেষ্টা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
খাবারের ছবিতে রঙ আর বৈচিত্র্যের গল্প
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
বিভিন্ন খাবারের পরিচয়, স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতি ও রান্নার সৃজনশীলতা নিয়ে একটি ছবির আয়োজন।
এটি দৈনিক২৪-এর health বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
বিভিন্ন খাবারের পরিচয়, স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতি ও রান্নার সৃজনশীলতা নিয়ে একটি ছবির আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
দৈনন্দিন ব্যস্ততায় বিশ্রামের জন্য সময় রাখার ভাবনা
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
কাজের ফাঁকে বিরতি এবং নিজের প্রয়োজন বুঝে দৈনন্দিন সময় ভাগ করার সাধারণ আলোচনা।
এটি দৈনিক২৪-এর health বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
কাজের ফাঁকে বিরতি এবং নিজের প্রয়োজন বুঝে দৈনন্দিন সময় ভাগ করার সাধারণ আলোচনা। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।
একই বিভাগের আরও খবর
সব খবর দেখুননমুনা সংবাদ · প্রতীকী ছবি
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলার আগে তথ্য গুছিয়ে রাখুন
দৈনিক২৪ ডেস্ক
প্রকাশ:
Unsplash
প্রশ্নের তালিকা, ব্যবহৃত ওষুধের তথ্য ও আগের নথি এক জায়গায় রাখার প্রস্তুতির পরিচিতি।
এটি দৈনিক২৪-এর health বিভাগের নকশা ও পাঠের অভিজ্ঞতা দেখানোর জন্য তৈরি নমুনা প্রতিবেদন। কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যাচাইকৃত সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়নি।
প্রশ্নের তালিকা, ব্যবহৃত ওষুধের তথ্য ও আগের নথি এক জায়গায় রাখার প্রস্তুতির পরিচিতি। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টির সঙ্গে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় তৈরি করা এবং বিস্তারিত জানার আগ্রহ বাড়ানো।
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক ছবি এবং তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস যুক্ত থাকবে। উদাহরণ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল সূত্র দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
এখানে ব্যবহৃত ছবি প্রতীকী। এই লেখা ও প্রকাশের সময় সাইটের ডেমো সাজানোর অংশ।